আলো ডেস্ক: বিএনপি ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করতে নয়াপল্টনে জড়ো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। তিনি বলেন, বিএনপিকে দাঁতভাঙা জবাব দিতে যুব, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগের নেতৃত্বে লাখো জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের ষড়যন্ত্রের জবাব দেবো। গতকাল শুক্রবার গুলিস্তানে শান্তি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ। সমাবেশে তারেক রহমানের সমালোচনা করে মির্জা আজম বলেন, তারেক রহমানের উত্তরসূরীরা নয়াপল্টনে জড়ো হয়েছে। তারা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে যুব, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগের নেতৃত্বে লাখো জনতা একত্র হয়েছে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের ষড়যন্ত্রের জবাব দেবো।
এর আগে বিকেল সোয়া তিনটায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ সমাবেশ শুরু হয়। শান্তি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিল ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
সমাবেশে অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, শাজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেসবাউল হোসেন সাচ্চু, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।
শান্তি সমাবেশ উপলক্ষে দুপুর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিট এবং দেশের বিভিন্ন জেলা শাখা থেকে তিন সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হন বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে। তবে দুপুরে দুই দফা বৃষ্টিতে সমাবেশে উপস্থিতি কিছুটা বেকায়দায় পড়ে। কেউ কেউ আশপাশের এলাকায় আশ্রয় নেন। বিঘ্ন ঘটলেও অনেকে ভিজেই সমাবেশস্থলে দাঁড়িয়ে থাকেন।
