নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁর মান্দায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে কশব ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১ টার সময় কশব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
জানা গেছে, গত ১৯ (এপ্রিল) রাতে ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের কাছে ধর্ষণের শিকার এক (ভিক্টিম) নারী মিমাংসার জন্য আসেন। তখন ইউপি চেয়ারম্যান নারী নির্যাতনের বিচার করতে পারবেনা মর্মে ভিক্টমকে জানিয়ে দেন। এই ঘটনাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করতে কিছু মহল গত ২০-২১ এপ্রিল বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় “মান্দায় ইউনিয়ন পরিষদে ধর্ষণের সালিশ, ৫১ হাজার টাকায় নিষ্পত্তি” সংবাদ প্রকাশ করিয়ে নিয়েছেন। এমন মিথ্যা অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ওই মহিলা ভালোনা এলাকার বহু মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। ওই মহিলার এসব খারাপ কাজে কিছু অসাধু ব্যক্তি সহযোগিতা করার কারণে বার বার মানুষের বিরুদ্ধে ধর্ষনের মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। তাই এমন সহযোগীদের ধিক্কার ও নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, পরিষদের এবং আমাদের মান ক্ষুন্ন করতে একটি মহল সংবাদটি প্রকাশ করে নিয়েছেন। প্রকৃত ঘটনার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। এটা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মনগড়া।
প্রকৃত ঘটনা হলো, গত ১৯ এপ্রিল রাতে পরিষদে ধর্ষিতার শালিস করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেদিন রাতে আমরা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে পরিষদে ইফতার মাহফিলের কথা আলোচনা করছিলাম। এমন সময় ভিক্টিম এবং বিবাদী মিমাংসার জন্য পরিষদে আসেন। তখন আমি নারী ঘটিত মামলা মীমাংসা করতে পারবোনা বলে উভয়কে জানিয়ে দিই এবং ভিক্টিমকে আইনের আশ্রয় নিতে বলি।
কিন্তু একটি মহল বিষয়টি অন্যখাতে প্রবাহিত করতে বিভ্রান্তকর সংবাদ প্রকাশ করে নিয়েছেন। এদিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী, সংবাদ প্রকাশের জেরে ওই মহিলার বিরুদ্ধে স্থানীয়রা কশব পরিষদের অদূরে ওই মহিলার বাড়ির পাশে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে ধিক্কার জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কশব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল লতিফ, ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার, আমিনুল ইসলাম ও রমজান আলীসহ প্রমুখ।
