আলো রাজনীতি ডেস্ক: গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেছেন, সরকার র্যাব-পুলিশ দিয়ে বিরোধী পক্ষ দমন করতে পারে কিন্তু সিন্ডিকেট দমন করতে পারে না। এর থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় সিন্ডিকেটের ওপর নির্ভর করেই তারা ক্ষমতায় টিকে আছে। আগামী ২৮ মার্চের হরতাল সরকার পতনের আন্দোলনের প্রথম ধাপ হবে।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় যাদুঘরের সামনে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ২৮ মার্চের বামজোটের ডাকা অর্ধদিবস হরতালের সমর্থনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
সাকি বলেন, ‘জনগণের আয়ের সাথে সঙ্গতি রেখে দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করতে হবে। বর্তমানে রেশনিংয়ের ব্যবস্থা এতই নাজেহাল যে মধ্যবিত্তদেরকেও টিসিবির (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। টিসিবির ট্রাকে করে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা জনগণের জন্য কতটুকু অপমানজনক তারা (সরকার) তা বোঝে না। সবার জন্য গণরেশনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার যেখানে সেখানে মেগা প্রকল্প করছে এবং সেগুলোর নাম করে সরকারের লোকেরা দুর্নীতি করছে। অথচ প্রজেক্টের অর্থের জোগান দেয়া হচ্ছে জনগণের পকেট কেটে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ হিসেবে তারা বলছে সিন্ডিকেট এগুলোর দাম বাড়াচ্ছে। আবার এটাও বলছে যে সিন্ডিকেট দমন করতে তারা অক্ষম।’
আগামী ২৮ তারিখের বামজোটের ডাকা হরতাল সমর্থন ও এতে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হরতালে বিভিন্ন জায়গায় সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন (ছাত্রলীগ) হামলা করতে পারে। আমাদের সেসব শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। এরপর আর বাংলাদেশে ভোট ডাকাতি করতে দেয়া হবে না।’
শাহবাগে সমাবেশ শেষে তারা একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড় হয়ে কাটাবন ঘুরে নীলক্ষেত মোড়ে গিয়ে শেষ করেন। সমাবেশে সংগঠনটির কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
