প্রেস বিজ্ঞপ্তি-
গতকাল ১১/০৬/২০২২ খ্রিস্টাব্দ শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী’র ১৯/০৬/২০২২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সাথে এক মতবিনিময় সভা শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী’র চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব মো: আরিফুল ইসলাম। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তাঁর বক্তব্যে জানান এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ১৯৬৬০০ জন শিক্ষার্থী এর মধ্যে পুরুষ ১০১৫৩৫ জন এবং নারী ৯৫০৬৫ জন। এবার বিজ্ঞান শাখায় ৮৭৬৮৪ জন, মানবিক শাখায় ৯৯৫৮২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৯৩৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিবেন।
রাজশাহী বিভাগের অধীন ৮টি জেলার মোট কেন্দ্র সংখ্যা ২৭০টি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬৭৬টি। এ বছর নিবন্ধিত মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১৬১৩১জন। ফরম পূরণ করেছে ১৮৬২৫১জন। ২৯৮৮০জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি। তিনি তাঁর বক্তব্যে সম্মানিত কেন্দ্র সচিবদের পরীক্ষা সংক্রান্ত পবিত্র দায়িত্ব কর্তব্য সমন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রত্যেক জেলা থেকে নুন্যতম ২(দুই) জন করে সম্মানিত কেন্দ্র সচিব মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কেন্দ্র সচিবদের বক্তব্যে উঠে আসা পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি সমস্যায় করণীয় সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক জনাব মো: হুমায়ূন কবীর, সভায় সঞ্চালকের দায়িত্বপালন করেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) জনাব মো: মুঞ্জুর রহমান খান। মতবিনিময় সভার সভাপতি চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: হাবিবুর রহমান তাঁর সমাপনী বক্তব্যে করোনাকালীন অতিমারীর সময় কমলমতি শিক্ষার্থীরা নানামুখী সমস্যায় ছিল উল্লেখ করে বলেন, কমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন কোনভাবেই অসুবিধার সম্মুখীন না হয় এ বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার জন্য তিনি কেন্দ্র সচিবদের অনুরোধ করেন।
এছাড়া তিনি কেন্দ্র সচিবদের কক্ষ পরিদর্শকরা যেন পরীক্ষা কক্ষে উচ্চস্বরে কথা বলা থেকে বিরত থাকেন, উচ্চস্বরে বকাঝকা না করেন এ বিষয়টি বিশেষভাবে নজরে রাখার জন্য তিনি কেন্দ্র সচিবদের পরামর্শ দেন। পরীক্ষা কক্ষে এধরণের আচরন দ্বারা কমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিতির সঞ্চার হতে পারে কারণ হিসাবে তিনি উল্লেখ করেন। যদি কোন কেন্দ্রে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী থাকে তাদের দিকে বিশেষ নজর দেয়ার জন্য তিনি কেন্দ্র সচিবদের অনুরোধ করেন।
