আ লো স্পো র্ট স ডে স্ক : আবদুল্লাহ শফিক, আজহার আলি আর বাবর আজম যেভাবে ব্যাট করছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল লাহোর টেস্টেও রানের বন্যা বইয়ে দেবেন পাকিস্তানি ব্যাটাররা; কিন্তু এই তিনজন হাফ সেঞ্চুরি করলেও নিজেদের ইনিংস বড় করতে না পারা এবং অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র ২৬৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে পাকিস্তান।
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার করা ৩৯১ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুতে ইমাম-উল হকের (১১ রান) উইকেট হারালেও আবদুল্লাহ শফিক এবং আজহার আলির ব্যাটে বেশ ভালোই জবাব দিচ্ছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিন শেষে আবদুল্লাহ শফিক ৪৫ এবং আজহার আলি ব্যাট করছিলেন ৩০ রানে। ৭০ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন থাকেন এ দু’জন।
তৃতীয় দিন নিজেদের জুটিটাকে আরও অনেকদুর এগিয়ে নিয়ে যান শফিক এবং আজহার। ১৫০ রানের বিশাল জুটি গড়ার পর বিচ্ছিন্ন হন তারা দু’জন। নাথান লিওনের বলে অ্যালেক্স ক্যারের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন আবদুল্লাহ শফিক। ২২৮ বল মোকাবেলা করেন তিনি খেলেন ৮১ রানের ইনিংস। ১১টি বাউন্ডারির মার ছিল তার হাতে।
এরপর বাবর আজমকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন আজহার আলি। প্যাট কামিন্সের হাতে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে তিনি যখন সাজঘরে ফেরেন তখন তার নামের পাশে লেখা ৭৮ রান। খেলেছেন ২০৮ বল। ৭টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মারও মারেন তিনি।
অধিনায়ক বাবর আজম খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস। ১৩১ বল খেলে ৬টি বাউন্ডারির মার মারেন তিনি। এরপর সর্বোচ্চ রান হচ্ছে ফাওয়াদ আলমের ১৩। বাকি ব্যাটাররা ২ অংকের ঘরও স্পর্শ করতে পারেননি। শেষ দিকে নৌমান আলি, হাসান আলি, শাহিন আফ্রিদি এবং নাসিম শাহ- কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স নেন ৫ উইকেট এবং অভিজ্ঞ পেসার মিচেল স্টার্ক নেন ৪ উইকেট। বাকি উইকেটটি নেন নাথান লিওন।
