রা জ শা হী র আ লোঃ – স্টাফ রিপোর্টার
দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আহতের ঘটনায় চলা বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তারের আশ্বাসে বিক্ষোভ থেকে সরে আসেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বিজ্ঞান ভবন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এসে থামে। সেখানে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এর কিছু সময় পর উপাচার্য এসে তাদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করেন। একই সঙ্গে দোষীদের শাস্তির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন। এ সময় উপাচার্য বলেন, পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কাজ করছি। তার আগে আমার ছেলেটাকে বাঁচাই।
সকালে ডাক্তার যেতে দেরি করায় আমি প্রশাসনকে বলে ডাক্তার পাঠিয়েছি। ডাক্তার বলেছে ঢাকায় পাঠালে ভালো হবে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছি। কিছুক্ষণের মধ্যে রওয়ানা হয়ে যাবে। আমি ওর বাড়িতে যোগাযোগ করেছি। তিনি আরও বলেন, মেস মালিককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আমরা মামলা করবো। সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের সব মেস মালিককে নিয়ে আমরা বসবো।
শিক্ষার্থীদের মঙ্গলের জন্য যা যা করা দরকার আমি তাই করবো। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয়ভার ও মনিটরিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করবে। মেস মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা যাদেরকে দিয়ে ব্যবসা করছো। এই ছাত্ররা আছে বলেই তোমরা রাজশাহীতে টিকতে পারছো। শিক্ষার্থীরা না থাকলে তোমাদের ভবন দিয়ে কী হবে? এদিকে আহত নাফির বিভাগের বড় ভাই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা আমাদের অভিভাবক উপাচার্যের অনুরোধে বিক্ষোভ মিছিল এখানেই স্থগিত করছি।
আগামী রোববারের মধ্যে দুর্বৃত্তরা গ্রেপ্তারের আওতায় না আসলে আমরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবো। এর জন্য সব শিক্ষার্থীকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। ৯ মার্চ রাতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে সাফফাত নাঈম নাফি নামে এক শিক্ষার্থী আহত হন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেকে) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
