রা জ শা হী র আ লোঃ – সাজ্জাদুল তুহিন, নওগাঁ
নওগাঁর মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠিয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রোববার সকালে মামলার ৬ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।
শুনানী শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীসহ চারজনের জামিন নামঞ্জুর করে বিচারক বিকাশ কুমার বসাক তাঁদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এ মামলার অপর দুই আসামি রশিদুল ইসলাম চৌধুরী ও নাজিম উদ্দিন মন্ডলকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ১২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর গনেশপুর ইউনিয়নে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দিন মন্ডল ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীর কর্মী-সমর্থকরা আহত হন। এদের মধ্যে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী ইমরান হোসেন রানা চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ নভেম্বর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
সংঘর্ষের ওই ঘটনায় নৌকার প্রার্থীর কর্মী আবদুল হামিদ বাদি হয়ে ১২ নভেম্বর রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলামসহ ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী ইমরান হোসেন রানার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর মা রেজিয়া পারভীন বাদি হয়ে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দিন মন্ডলসহ ১০৪ নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০০ জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করেন।
আরো জানা যায়, নির্বাচনী সহিংসতার ওই মামলায় এজাহারভুক্ত ৫৪ আসামি একই আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। বাঁকি ৬ আসামি রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। এদের মধ্যে গনেশপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরী, তাঁর ছেলে সাব্বির চৌধুরী, শাহ আলম চৌধুরী বকুল ও মেহেদী হাসান মিঠুনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান আদালত। অপর দুই আসামীকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
