মো: মশিউর রহমান মনি
গত বৎসর ২০২০ ইং সালের শুরুর দিক থেকে বর্তমান ২০২১ ইং সাল অবধি মহামারী করোনা ভাইরাস বিশ্বকে গ্রাস করে ফেলেছে। বাংলাদেশও এই মহামারীতে বিপর্যস্ত। করোনাকালীন দেশের সমস্ত স্কুল বন্ধ ছিল। দেশে চলছিল লক-ডাউন। মানুষ কর্ম হারিয়ে অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বিসহ জীবন যাপন করেছে। অনেক মানুষের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সরকারি ঘোষণায় স্কুল খুলেছে, স্কুল খোলার পর সেশন চার্জ ও বেতন বিষয়ে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকরা মিশ্রপ্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, তারা জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষ সারা বছরের বকেয়া বেতন ও সেশনচার্জ পরিশোধে তাদেরকে চাপ প্রয়োগ করছে। সারা বছরের এই বকেয়া বেতন ও সেশন চার্জ পরিশোধ করা অনেক অভিভাবকের পক্ষেই সম্ভব না। এই অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকেরা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও দুশ্চিন্তায় আছেন, কিভাবে কি করবে বুঝতে পারছে না। দেশে সরকারি, বেসরকারি, শ্বায়ত্বশাসিত, ব্যক্তি মালিকানা প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের স্কুল আছে। সরকারি স্কুলের বেতন ও সেশন চার্জ তুলনামূলক কম হলেও অন্যান্য স্কুলের বেতন ও সেশন চার্জ অনেক বেশী। তারা আরও জানান, গত বৎসর ২০২০ ইং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মহামারীর এই সময়ে স্কুলের বেতন ও অন্যান্য চার্জ মওকুফ ও ছাড়ের বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। কিন্তু দু:খের বিষয় স্কুল খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত হলেও স্কুলের বেতন সেশন চার্জ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এ অবস্থায় বকেয়া বেতন ও সেশন চার্জ বিষয়ে অভিভাবকেরা দ্রুত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণার দাবী জানাচ্ছে।
