প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোনাইকান্দি এবং চারঘাট বিকল্প বিওপি’র টহলদল ০২ (দুই) টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করে চোরাচালানী মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। এসব অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট।
অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০২৩০ ঘটিকায় রাাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ সোনাইকান্দি বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রাজশাহী জেলার দামকুড়া থানাধীন সোনাইকান্দি এলাকার পদ্মার চড়ে ঝাউবনের মধ্যে চোরাচালানী মালামাল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে লুকানো আছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পদ্মার চড়ে ঝাউবনের মধ্যে তল্লাশী করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে বিজিবি’র আভিযানিক দল একটি ঝাউগাছের ঝোপের মাধ্যে প্লাষ্টিকের ব্যাগ দেখতে পায়। উক্ত ব্যাগটি’র মধ্য হতে *ভারতীয় ঊঝকটঋ সিরাপ-০৯ বোতল, তঊইওঝঈঅঘ সিরাপ-০৬ বোতল, গঙঘঙএঙখউ সিরাপ-০৩ বোতল, ঞটঝঈঙজঊঢ সিরাপ-০১ বোতল এবং -ঈ সিরাপ-০৫ বোতল (মালিকবিহীন)* জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল দামকুড়া থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।
অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০৩৩০ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ চারঘাট বিকল্প বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চারঘাট মডেল থানাধীন চন্দনশহর নামক এলাকা দিয়ে কিছু মাদক ব্যবসায়ী মাদক পাচার করবে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য চন্দনশহর নামক এলাকার বাঁশ ঝাড়ের মধ্যে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘ সময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে দেখতে পায় যে, ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী প্লাষ্টিকের ব্যাগ নিয়ে বাঁশ ঝাড়ের দিকে আসছে। বিজিবি’র আভিযানিক দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা ব্যাগটি ফেলে ঘন কুয়াশার মধ্যে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি আভিযানিক দল উক্ত ব্যাগ হতে *ভারতীয় মদ-০৭ বোতল এবং ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট-২০০ পিচ (মালিকবিহীন)* জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল চারঘাট মডেল থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) মাদকমুক্ত দেশ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এ বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীকে শনাক্তকরণ এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিজিবি কর্তৃক গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
