রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, স্বর্ণা ধান আমন মৌসুমে রাজশাহীর চাষিদের কাছে দীর্ঘকাল ধরে জনপ্রিয় ছিল। এ বছরও রাজশাহীতে এই ধান চাষ হয়েছে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে। গত পাঁচ বছর আগে ছিল ২৮ হাজার হেক্টর।
সোমবার বিকেলে তানোরের কুজি শহর মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ঘূর্ণিঝড় মোন্থার প্রভাবে গত ৩১ অক্টোবর রাতে যে বৃষ্টি ও বাতাস হয়েছে, তাতেই মাঠের স্বর্ণা ধান শুয়ে পড়েছে। কিন্তু পাশেই আটজন চাষির ব্রি-১০৩ ধান দাঁড়িয়ে রয়েছে।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট রাজশাহীর প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন বললেন, স্বর্ণা ধান রাজশাহীতে বহুকাল ধরে চাষিরা আবাদ করে আসছেন। ব্রি-১০৩ ধান এই প্রথমবারের মতো রাজশাহীতে আটজন চাষি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, স্বর্ণা ধান ১৯ মণ পর্যন্ত ফলন দেয়। আর তাদের উদ্ভাবিত দেশি জাতের এই ধানের ফলন গড়ে ২২ মণ পর্যন্ত হবে। রোগবালাই কম। দাম বেশি পাওয়া যাবে। চাষিরা লাভবান হবেন। সহজে এই ধান শুয়ে পড়ে না। এ জন্য চাষিরা এই ধানের খড়ও বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।
