- সাইবার প্রোপাগান্ডা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা বাড়ছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়্যারনেস ফাউন্ডেশন (সিসিএএফ)।

সচেতনতার আহ্বান: সংস্থাটি প্রযুক্তি ব্যবহারে নিরাপত্তা ঝুঁকি প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ রাজনৈতিক দলগুলোকেও সাইবার সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
- ভূয়া তথ্যের উদ্দেশ্য: সিসিএএফের উপদেষ্টা সৈয়দ জাহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব ভূয়া তথ্য ছড়ানো হয়, তার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকে।
- এআই ও ভুয়া তথ্য: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ফটোকার্ড তৈরির মাধ্যমে অনেক ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা যাচাই ছাড়া শেয়ার করা উচিত নয়।
- সাইবার অপরাধের শিকার: সিসিএএফ-এর ২০২৪ সালের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাইবার অপরাধে ভুক্তভোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৮.৭৮ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। আক্রান্তদের প্রায় ৫৯ শতাংশই নারী।
- অপরাধের ধরন ও ক্ষতি: অপরাধের ধরনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইনে অ্যাকাউন্ট বেদখল (হ্যাকিং) শীর্ষে রয়েছে (২১.৬৫ শতাংশ)। ভুক্তভোগীদের মধ্যে ৪৭.৭২ শতাংশ সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হওয়ার এবং ৪০.১৫ শতাংশ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
- শিক্ষাগত যোগ্যতা: ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই শিক্ষিত। সর্বোচ্চ ৪০.৯০ শতাংশ উচ্চ মাধ্যমিক পাস এবং ২১.২১ শতাংশ স্নাতক/সম্মান পাস।
- আইনের আশ্রয়: ভুক্তভোগীদের মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
