আলো ডেস্ক
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, লন্ডন থেকে যার হুকুমে বিএনপি চলে, এ নেতৃত্ব বিএনপির অনেকে মানতে পারছে না। তারেক রহমান যতদিন বিএনপির নেতৃত্বে থাকবে ততদিন দলটির মুক্তি মিলবে না। লন্ডন থেকে আন্দোলনের ডাক দিলে জনগণ সাড়া দিবে না।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষে এবং সাংগঠনিক বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র হত্যাকারীরা গণতন্ত্রের জন্য মায়া কান্না কাঁদে। আওয়ামী লীগ একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চা করে। বিএনপির নিজের ঘরে গণতন্ত্র নেই।
বিএনপির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী কোন কারাগারে নির্যাতিত হচ্ছে? প্রশ্ন কাদেরের। মিথ্যাচার না করে তালিকা প্রকাশ করুন। বিএনপির সাম্প্রদায়িক অপশক্তি চিহ্নিত করতে হবে।
কাদের বলেন, অর্থনৈতিক সংকট একেবারে কেটে যায়নি। নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হতে চাইলে বাঁধা নেই। তবে নির্বাচনে কেউ বাঁধা সৃষ্টি করবেন না। রাজনৈতিক কৌশলগত কারনে নির্বাচনে দলীয় প্রতিক দেয়া হচ্ছে না। নৌকা কোনদিনও ডুববে না।
সরকার দলের শীর্ষ এই নেতা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র আমদানি হয়ে প্যাকেটের মধ্যে পড়ে থাকে কিন্তু ব্যবহার হয় না- এই ইতিহাস আমাদের আছে। আমার জীবন মরণ পরিস্থিতে ল্যাব থেকে এনে শেষ মুহূর্তে তা কাজে লাগানো হয়েছে। আমাদের হাসপাতাল আছে, চিকিৎসকরাও ভালো, তারপরও কোথায় যেন সংকট রয়েছে। এখানে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন খুব চ্যালেঞ্জিং। এই দায়িত্বটা সম্মিলিতভাবে সবাইকে নিতে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মার ওপারে বড় আধুনিক হাসপাতাল করার প্রস্তাব আছে। প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন হলে আপনাদের জানাবো। আমাদের বড় আধুনিক হাসপাতালের বড় প্রয়োজন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যথার্থ ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করা- বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা, এটা আমাদের দলের নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। আমার ধারণা তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দেবেন। আমি মনে করি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নিকট অতীতের ইতিহাস সুখকর নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আ ফ ম রুহুল হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও দলের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও উপ-কমিটির সদস্য সচিব ডা. রোকেয়া সুলতানা।
