আলো ডেস্কঃ নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পেলে বিএনপি নির্বাচনে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে সেতুভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ ক্যাথেরিন কুকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। কাদের বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপি যে শর্ত দিয়েছে তা সংবিধানের বাইরে, সংবিধানবিরোধী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিংবা দলটির একদফা নিয়ে বিদেশিদের কোনো বক্তব্য নেই। বিএনপি অশান্তির পথে হাঁটছে, সহিংসতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, মির্জা ফখরুলের বক্তব্য তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। তারা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। তারা সন্ত্রাস করবে, সন্ত্রাস করে নির্বাচন পণ্ড করবে, নির্বাচন ভণ্ডুল করবে- এ লক্ষ্য নিয়ে তারা এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের পরিষ্কার কথা, আওয়ামী লীগের দফা একটাই- সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার আমলে নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে।
বিএনপির দাবি অদ্ভুত, উদ্ভট ও অযোক্তিক। সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, সাক্ষাৎকালে দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন কীভাবে হবে, নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব, বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ব্রিটিশি হাইকমিশনার নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার পাশাপাশি অংশগ্রহণমূলক করার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, হাইকমিশনারের কাছে জানতে চেয়েছি নির্বাচনের সময় আপনাদের প্রধানমন্ত্রী কি পদত্যাগ করেন এবং হাউজ অব কমন্স কি বিলুপ্ত হয় সেটা বলেছি।
আমেরিকানদের যা বলেছি, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে যা বলেছি, ব্রিটিশ হাইকমিশনারকেও তাই বলেছি। আমাদের বক্তব্য অভিন্ন। যেভাবে ইলেকশন হবে, তা নিয়ে কথা বলেছি। ব্রিটিশ হাইকমিশনারের প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশার বিষয়ে ওবায়দুল কাদেরের জবাব কী ছিল- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে যা বলেছি, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে যা বলেছি, ব্রিটিশ হাইকমিশনারকেও তাই বলেছি। আমাদের বক্তব্য অভিন্ন। যেভাবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে কথা বলেছি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনাদের (ব্রিটেন) নির্বাচন কীভাবে হয়, প্রধানমন্ত্রী কী পদত্যাগ করেন, হাউজ অব কমন্স কী বিলুপ্ত হয়- সেটা বলেছি। বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি অদ্ভুত ও উদ্ভট বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে এমন ব্যবস্থা ছাড়া নির্বাচনে আসতে চায় না। তাদের হেরে যাওয়ার ভয় আছে। জনগণ যাকে ভোট দেবে, সেই ক্ষমতায় যাবে।
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আর সরকার রুটিন দায়িত্ব পালন করবে। তারা কোনো মেজর পলিসি ডিসিশন নিতে পারবে না, সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। আর্থিক, রেগুলেটরি, অনেক বিষয়ে কমিশন স্বাধীন হয়েছে।
