আলো ডেস্ক: কিডনিজনিত রোগে আক্রান্ত একমাত্র মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মো. লিটন (৩৫) নামে এক দিনমজুর। গতকাল শুক্রবার সকালে তার লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। মৃত লিটন ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়ির শাহে আলমের ছেলে। মৃতের স্ত্রী ছালেহা বেগম জানান, লিটন একজন দিনমজুর। তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে রুপা বেগম কিডনিজনিত রোগে ভুগছে। বেশ কয়েকদিন আগে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে ধার-দেনা করে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করান। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শনিবার (২৩ অক্টোবর) আবারও ঢাকায় চিকিৎসার তারিখ ছিল। মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য গতকাল শুক্রবার ঢাকায় রওনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়ের চিকিৎসার টাকার জোগোড় করতে না পেরে গত বৃহস্পতিবার চিন্তিত হয়ে পড়েন লিটন। মেয়েকে ধরে কান্নাকাটি করতে থাকেন। সবাই ঘুমিয়ে গেলে রাতের কোনো একসময় ঘরের পেছনের আম গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। দৌলতখান থানার এসআই সৌরভ কান্দি পাল বলেন, খবর পেয়ে আমরা সকালে ঘটনাস্থল থেকে মৃতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
