আলো ডেস্ক: প্রবাসীদের বৈধ পথে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠানোর আহবান জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত রেমিট্যান্স বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই আহবান জানান। শুক্রবার নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস এ তথ্য জানায়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্ক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি কনস্যুলেট আয়োজিত রেমিট্যান্সের গুরুত্ব, বর্তমান প্রেক্ষিত- শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। বৈঠকে নিউইয়র্কস্থ সরকারি ও বেসরকারি এক্সচেঞ্জসমূহের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।
এ সময় তার সহধর্মিণী সাবেক সচিব কামরুন নাহারও উপস্থিত ছিলেন। প্রথমে কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামসহ কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাকে স্বাগত জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী-বান্ধব নীতি ও পদক্ষেপের উল্লেখ করে প্রবাসীদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহবান জানান। রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি তাদের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগেরও আহবান জানান। গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকরা সরকার ঘোষিত বিভিন্ন প্রণোদনা ও সুবিধাসমূহ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। এ বিষয়ে কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে প্রচার-প্রচারণা চালানো, রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার বৃদ্ধি করা, রেমিট্যান্স সপ্তাহ বা মেলার আয়োজন করা, ওয়েজ আর্নার বন্ডের সুবিধাসমূহ যাতে প্রবাসীরা সহজে পেতে পারেন সে ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম কনস্যুলেটের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অবহিত করেন। কনস্যুলেটের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে সেবার মান সমুন্নত রাখার জন্য কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের তিনি পরামর্শ দেন। কনসাল জেনারেল মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে কনস্যুলেট সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান।
