ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-
রাজশাহী মহানগরী ও আশপাশের এলাকার অন্যতম একটি জনপ্রিয় ও বহুল পরিচিত পশুর হাট” সিটি বাইপাস হাট”। এখানে শুধু রাজশাহী মহানগরীর মানুষ নয়,আশপাশ ও দূর- দূরান্ত থেকে লোকজন আসে।
রাজশাহী জেলা ছাড়া পার্শ্ববতী জেলা শহর চাঁপাইনবাবগন্জ,নাটোর,নওগাঁ,নিয়ামতপুর,বদলগাছি,পত্নীতলা,নজিপুর,বগুড়া জেলা,জেলা সিরাজগন্জসহ অনেক জায়গা থেকে পাইকাররা আসে গরু,মহিষ কিনতে এই বিখ্যাত হাটে।
সরজমিনে গিয়ে আমাদের প্রতিবেদক জানতে পারেন যে,এই হাটে গত বৎসরের তুলনায় গরু,মহিষের দাম কম। রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ৩ নং দ্বীপপুর ইউ’ পির খাঁপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী মোঃ ইসরাইল হোসেন বলেন, তার লাল রঙের গরুটির দাম চাওয়া হচ্ছে= ১,১০০০০/=টাকা। ক্রেতারা বলছেন=১,০০০০০/=।
একই গ্রামের আর একজন গরু বিক্রেতা মোঃ আকবর আলির কন্ঠে একই কথা। স্যার,এবার গত বৎসরের মত গরুর দাম নাই। খুব আশা করে এই বিরাট হাটে আমার গরুটা এনেছিলাম বিক্রির জন্য। কিন্ত বিক্রি করা সম্ভব হবেনা।কাকনহাট থেকে আসা আরও একজন গরু ব্যবসায়ী মোঃ মোজাম্মেল হক আমাদের প্রতিবেদককে জানান, আমি ৫ টি দেশী গরু আমাদের গ্রাম থেকে কিনে এনেছিলাম।
বেশী টাকাই বিক্রি করব বলে। আমার গরুগুলির দামও অনেক কম বলছে ক্রেতারা। কিন্ত এখানে মিশ্র মন্তব্য পাওয়া যায়। কিছু ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে আমাদের প্রতিবেদক জানতে পারেন যে,গত বৎসরের তুলনায় এবার গরু,মহিষের দাম একটু বেশী। আমরা যে টাকা দিয়ে গরু কিনব বলে এই হাটে এসেছিলাম,হাটের পরিস্হিতি দেখে মনটা খারাপ হয়ে যায়।
এত দাম গরুর। “কেশরহাট” রাজশাহী জেলার একটি বিখ্যাত পশুর হাট। রাজশাহী জেলা ও আশপাশের মানুষদের কাছে এই হাটটিও খুব জনপ্রিয় ও বহুল পরিচিত হাট। রাজশাহী – নওগাঁ মহাসড়কের ধারে মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার মধ্যে এই হাটটি অবস্হিত। এই হাটেও দূর- দূরান্ত থেকে গরুর পাইকাররা আসে।
তারা গরু কিনে রাজশাহী জেলা ছাড়াও অন্যান্য জেলা শহর ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকাসহ আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে বিক্রি করে। অনেকের অভিযোগ, এইসব হাটে সন্ধ্যার পর পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্হা থাকেনা। এই বিষয়টি প্রত্যেক হাট কমিটি সুনজরে নিবেন এমনটাই আশা করেন হাটে আগত সাধারন মানুষ।
