আলো ডেস্ক: মোবাইলে গেম খেলাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রতিপক্ষের হামলায় দুটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত রোববার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিন রাতেই প্রবাসী খলিল সর্দারের স্ত্রী রাশিদা বেগম স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। আটকরা হলেন-ওই গ্রামের নাসির মিয়া, মিজানুর সর্দার, এনায়েত মিয়া ও মিনা বেগম। থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বারইপাড়া গ্রামে সামবার ৪ অক্টোবর খলিল সরদারের ছেলে রিফাত সরদার (১৪) ও একই গ্রামের হুমায়ুন সরদারের ছেলে আবিদ সরদারের (১৬) মধ্যে মোবাইলে গেম খেলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও মারামারি হয়। এ ঘটনায় দুপক্ষ ওই দিনই থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপক্ষের লোকজনকে সংঘর্ষে না জড়াতে অনুরোধ করেন। এলাকাবাসী জানায়, গত রোববার সকালে এই ঘটনার জেরে প্রায় ৩০-৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রবাসী খলিল সরদারের বাড়ির প্রাচীর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তিনটি টিনশেড ঘরে ভাঙচুর করে। এরপর হামলাকারীরা লোহার হাতুড়ি দিয়ে একতলা ভবনের দেয়াল ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ভাঙচুর করে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় তারা। পরে হামলাকারীরা সোহাগ সর্দার নামে আরেক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও ভাঙচুর চালায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রবাসী খলিল সর্দারের স্ত্রী রাশিদা বেগম বলেন, আমার স্বামী ও বড় ছেলে বিদেশে থাকে। বাড়িতে আমি ও আমার ছোট ছেলে থাকি। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। অভিযুক্ত হুমায়ুন সরদার বলেন, কিছু দিন আগে আমাকে তারা মেরে আহত করেছিল। তবে ভাঙচুর ও লুটপাটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
