আলো ডেস্ক: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকৌশলীর রুমে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুই উপ-সহকারী প্রকৌশলী। তাদের থামাতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়ে ঠিকাদার আবুল কালাম আজাদ বিল্টু আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার ভাঙ্গার স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকৌশলী সাদিকুর রহমানের অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আহত আবুল কালাম আজাদ। তিনি আলামিন ট্রেডার্সের মালিক ও ঠিকাদার।
অভিযোগে ঠিকাদার বলেন, ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের পুলিয়া গাবতলায় প্রায় তিন কিলোমিটার পাকা সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ করছেন। সংস্কার কাজের পরিদর্শনে যাবেন বলে ভাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী সাদিকুর রহমান আমাকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রুমে গিয়ে দেখি উপজেলার দুই উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাফিজুর রহমান ও মফিজ খলিফা ঝগড়া করছেন।
একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তারা। এ সময় আমি ঠেকাতে গেলে রুম থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যান উপ-প্রকৌশলী মফিজ খলিফাসহ তার সহযোগীরা। পরে আমাকে আটকে বেধড়ক পিটিয়ে আমার কাছে থাকা টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। অভিযোগ অস্বীকার করে এ বিষয়ে মফিজ খলিফা বলেন, আমার সহকর্মী মাফিজুরের সঙ্গে অফিশিয়াল কথাবার্তা নিয়ে সামান্য তর্কাতর্কি হয়েছে। ঠিকাদারের সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়নি।
তাকে আটকে রেখে মারধর আর টাকা-মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা সঠিক নয়। আরেক উপ-প্রকৌশলী মফিজুর রহমান বলেন, উপজেলার পুলিয়া গাবতলা এলাকায় আলামিন ট্রেডার্সের কার্পেটিংয়ের কাজ নিম্নমানের হওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এসও, ঠিকাদারসহ প্রকৌশলী সাদিকুর রহমানের কক্ষে কথাবার্তা হচ্ছিলো। এ সময় হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে মফিজ খলিফা আমার ওপর চড়াও হন এবং মারধর করেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এটা অনাকাক্সিক্ষত একটা ঘটনা। তারপরও বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে। ভাঙ্গা থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আসলে ঘটনা তো কিছুই ঘটছে। তারপরও অভিযোগটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
