রা জ শা হী র আ লোঃ – নাচোল প্রতিনিধি
চাঁপাইনাববগঞ্জের নাচোলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্রায়ণ পকল্পের উপহারের ঘর পেয়ে সুখের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে ৯১৬জন গৃহহীন মানুষ। মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিন্ত বসবাসের “আশ্রয়”।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফ আহম্মেদ জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিনে নাচোল উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৯১৬জন গৃহহীনকে ঘর দেওয়া হয়েছে।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের গৃহহীনদের ঘরে বিদ্যুৎ, খাবার পানি, বিভিন্ন ধরনের শাক-সব্জিবীজ ও প্রকল্পের পাশের পুকুর গৃহহীনদের নামে মাছ চাষের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমনকি কর্মক্ষম গৃহহীনদেরকে প্রাণী সম্পদ দপ্তর থেকে গুরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও সমাজসেবা দপ্তর থেকে দোকান, ভ্যানগাড়ি প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের ১৮৬টি ঘর নির্মান কাজ চলমান রয়েছে।
উপজেলার নাচোল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর মৌজার রাজবাড়ি দিঘিপাড়ার গৃহহীন মোসাঃ রাহেলা বেগম(৬০) ও আজিমুদ্দীন(৫২), মৃত সামির নুনের স্ত্রী মুংলী (৬০),বাক প্রতিবন্ধি পলাশ(২৫), আন্ধরাইল গ্রামের সফিজান বেওয়া(৭৫),সায়েরা বেওয়া(৫৫) ও ছামেদা(৫৭) এবং লোকমান(৬০) বলেন, শেখ মুজিবের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহারের ঘর পেয়ে শেষ জীবনে সুখের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন বলে তারা। গৃহহীন রাহেলা বেগম অপরের ঘরে চালা লাগিয়ে দীর্ঘ ৪বছর ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে বসবাস করেছেন।
ভূমিহীন আজিমুদ্দীন ভাঙা ঘরে পরিবার নিয়ে খুবই কষ্টে ছিলেন। বর্তমানে ঘর পেয়ে পরিবার নিয়ে সুখেই আছেন। আন্ধরাইল গ্রামের স্বামীর মৃত্যুর পর দীর্ঘ ১০বছর ছেলেদের অবহেলায় গোহাল ঘরের পিছনে চালা লাগিয়ে বস করেছেন সফিজান বেওয়া(৭৫)। সরকারি ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাণভরে দোয়া করেছেন।
বিধবা সায়েরা বেগম(৫৫), ছামেদা(৫৭) ও একই গ্রামের লোকমান(৬০) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে জীবনে বাঁচার অনুপ্রেরনা খুঁজে পেয়েছেন। নাচোল পৌর এলাকার সাহাপাড়ার মেয়ে কল্পনা রানী(৪৮) স্বামী নিরুদ্দেশ হলে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে ভাই এর বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
শেষে কসবা ইউনিয়নের বর্ধাই চন্ডিপুরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ণ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে খুশি হয়ে নিজের ঘরকে আল্পনায় ভরিয়ে তুলেছে কল্পনা রানী। কল্পনা রানীর অনুপ্রেরনায় বর্ধাই চন্ডিপুরের ৩০টি বাড়ি আজ সুখের আল্পনার রঙিন গ্রাম।
