আলো সা রা দে শ ডেস্ক: ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
আমাদের দেশে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) থেকে স্বল্প মূল্যে মান সম্মত পণ্য কিনতে দীর্ঘ হচ্ছে মানুষের লাইন। আমাদের দেশে এখন দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে ভোর থেকে মানুষ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছেন পণ্য কিনতে।
প্রতিদিন সকাল ১০ টায় পণ্য বিক্রি শুরু হয়ে বেলা আড়াইটা বাজলেও শেষ হয় না মানুষের লাইন। শুক্রবার বন্ধ থাকে এই কার্যক্রম। আমাদের দেশের নিম্নবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে টিসিবির লাইনে।
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ টিসিবি থেকে কিনছেন সোয়াবিন তেল, পিয়াজ। চাউল, ডাল, তেল, চিনি, পিয়াজসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। টিসিবির ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা প্রতিদিনে ৫৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ২ কেজি চিনি,৬৫ টাকা কেজি দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ১১০ টাকা দরে ২ লিটার সোয়াবিন তেল, ৩০ টাকা দরে আড়াই কেজি পিয়াজ কিনতে পারবেন।
আমাদের দেশের ৪০০-৫০০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে এই বিক্রি কার্যক্রম চলছে। এই বিষয়ে আমাদের প্রতিবেদক কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(ক্যাব) এর ভাইস প্রেসিডেণ্ট এস এম নাজের হোসাইন এর সঙ্গে কথা বললে,তিনি বলেন,” রমজান ” মাস এলেই সব পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নামেন ব্যবসায়ীরা। আমরা কাস্টমস,পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথার্বার্তা বলছি এই বিষয়ে।
পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও কৃএিম সংকট তৈরী করে দাম বাড়াচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। বর্তমান সরকার ভোগ্যপণ্যের বাজার ব্যবসায়ীদের হাতে ছেড়ে দেওয়ায় এই পরিস্হিতি তৈরী হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে কখনো তেলের ব্যবসায়ী দাম বাড়ান,কখনো পিয়াজের ব্যবসায়ী দাম বাড়ান।কেউ কারও চেয়ে কম না। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনটি পর্যায়ে কাজ করতে হবে। আমদানীকারক,ডিলার,খুচরা ব্যবসায়ী এই তিন পর্যায়ে নজর দিতে হবে সরকারকে। টিসিবির কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয়। ইহার প্রভাব বর্তমান বাজারে কিছুটা হলেও পড়বে।
