আলো ডেস্ক:
নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে ভুমিকা রাখছে দৃষ্টি নন্দন গৌরহাঙ্গা জামে মসজিদ। ডিজিটাল দৃষ্টিনন্দন গোরহাঙ্গা জামে মসজিদ। দূরদূরান্ত থেকে মুসল্লিরা এসে এ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম মসজিদ গৌরহাঙ্গা জামে মসজিদ। ১৯৬৩ সলে নগরির গৌরহাঙ্গায় নির্মিত হয় মসজিদটি। দাতা সোলাইমান খানের তত্ত্বাবধানে মসজিদটি নির্মিত হয়। সে সময় মসজিদটি ছিল চাটায়ের। পর্যায়ক্রমে মসজিদটি এখন তৃয়ীত তলায় রূপান্তরিত হয় বর্ধিত চতুর্থ তলায় ইমাম, মোয়াজ্জিন ও খাদেমের পরিবার সহ থাকার থাকার ব্যবস্থা করা হয়। রাজশাহীর সৌন্দর্য বর্ধনে ভুমিক রাখছে দৃষ্টি নন্দন এই মসজিদটি। পরিস্কার পরিছন্ন টয়লেট এবং দৃষ্টিনন্দন অজুখানা অনেক মুসল্লিদের নজর কাড়ে। সুদক্ষ ইমাম ও মোয়াজ্জিন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এই মসজিদটি। ইমামের শ্রুতিমধুর খুৎবা শুনতে দূর দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা ভিড় জমায় জুম্মার দিনে। হাজারের অধিক মুসল্লিারা নামায পড়ে এই দিনে। মোয়াজ্জিনের শ্রুতিমধুর আযান মুসল্লিদের মন কাড়ে। মুসল্লিরা জানান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে এই মসজিদে। রাসিকের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন সব সময় মসজিদের উন্নয়নে ভুমিকা রেখেছেন। অর্থিক সহযোগিতা সহ মসজিদের উন্নয়নের পাশে রয়েছেন। বিষিষ্ট ঠিকাদার ও ডেভলপার কবির হোসেন সবসময় মসজিদের উন্নয়নে ভুমিকা রাখছেন। বর্তমান কমিটির সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান মুকুলের দূরদর্শীতায় মসজিদটির দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। প্রাচীনতম মসজিদের মধ্যে কালে স্মৃতি বহন করছে গৌরহাঙ্গা জামে মসজিদ। প্রতি মাসে মসজিদে উন্নয়নের মিটিং করা হয়। মিটিংয়ে সবার মতামত নেওয়া হয়। প্রতি সোমবার কোরআন থেকে তাফসীর করা হয়। সাফল্যের সহিত দুই বছর সাত মাস মসজিদটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন মসজিদ কমিটি। সভাপতি মুকুল ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুলের সমন্বয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন হয়েছে মসজিদে। দুরদুরান্ত থেকে মুসল্লিরা নামায পড়তে আসে। মসজিদের আরও উন্নয়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই কমিটি। এই মসজিদের ডিজাইন ও ডেকোরেশনের মত অনেকেই এই রকম মসজিদ নির্মানের পরিকল্পনা নিচ্ছেন। ১৩ নং ওয়ার্ডের সফল কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের দূরদর্শীতায় দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। মসজিদের উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।
