এফএনএস: পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পিরোজপুরে চাচা জিয়াউল হক জিকুকে (৪৭) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার নামে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শুক্কুর ও সুবেল শিকদার নামে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার পিরোজপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আলী রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহত জিয়াউল একই জেলার নাজিরপুর উপজেলার উদায়তারা গ্রামের দলিল উদ্দিন খানের ছেলে। তিনি জেলা শহরের মধ্যরাস্তা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে শহরে মাছের ব্যবসা করতেন বলে জানা গেছে। নিহত জিয়াউলের স্ত্রী লিমা আক্তার জানান, জিয়াউলের সঙ্গে তার ভাতিজা মামুনের আর্থিক লেনদেন ছিল। গত গত বুধবার মামুনের কাছে পাওনা টান জিয়াউল, এ নিয়ে সে সময় হাতাহাতি হয় তাদের এবং মামুন তার স্বামীকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন। পরে দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জিয়াউল বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে শহরের জেলা পরিষদ মার্কেটের কাছে এলে একটি বিরিয়ানি হাউজের সামনে ধারালো অস্ত্রসহ তার ওপর হামলা চালায় সুবেল শিকদার ও শুক্কুর নামে দুই সহযোগীসহ মামুন। কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায় জিয়াউলকে। আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দাঁড়ালো কোনো কিছুর আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে জিয়াউলের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তারেক আজিজ। এ ঘটনায় পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে সুবেল শিকদার ও শুক্কুর নামে দু’জনকে আটক করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী লিমা বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটিহত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওসি আলী রেজা জানান, মামলা প্রক্রিয়াধীন। নিহতের মরদেহে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দু’জনকে আটক করা হয়েছে।
