রা জ শা হী র আ লোঃ – সাজ্জাদুল তুহিন, নওগাঁ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে নিয়মিত লেনদেনের এক পর্যায়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে নাবিল ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী বদরুদ্দোজা আহমেদ কামালের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ভুক্তভোগী বেলালসহ তার পরিবার “মান্দা উপজেলা প্রেস ক্লাবে” ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। ভুক্তভোগী বেলাল নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউপির হরিপুর গ্রামের নাসির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী বেলাল হোসেন জানান, আমি (মেসার্স ফারিহান ট্রেডার্স) নামে ব্যবসা করি। সেই সুবাদে (মেসার্স নাবিল ট্রেডার্স) এর স্বত্বাধিকারী ধান ব্যবসায়ী কামালের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কামালের নিকট নগদ ও বাঁকিতে ধানের ব্যবসা পরিচালনা করছিলাম।
ব্যবসা করার এক পর্যায়ে তার নিকট ১৭ লক্ষ টাকা আটকে যায়। উক্ত পাওনা টাকা চাইলে তিনি বিভিন্ন ধরনের টালবাহানা শুরু করেন। এখন আজ দিব, কাল দিব করে কালক্ষেপণ করছে। কয়েকবার পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও দীর্ঘদিন থেকে আমাকে ঘোরাচ্ছেন তিনি।
এখন তার নিকট আমার উপার্জিত সকল অর্থ আটকে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম বিপাকে দিনাতিপাত করছি। এনজিও এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া টাকা আমি পরিশোধ করতে পারছিনা। সন্তান সন্তানাদির নিয়ে চরম সংকটপূর্ণভাবে দিন কাটাচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় টাকা উত্তরণের জন্য দ্বারস্থ হয়েও টাকা উঠাতে পাচ্ছিনা।
টাকা চাইলে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং টালবাহানা করছেন। এ বিষয়ে আমি নিয়ামতপুর থানা একটি অভিযোগও দায়ের করেছি। থানার শরণাপন্ন হয়েও কোনো কাজ হচ্ছেনা আমার। উল্টো টাকা চাইতে গেলে ওই ব্যবসায়ী বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে আমাকে। আমার জীবনে এখন অন্ধকার নেমে এসেছে।
জীবনের সকল উপার্জন সে নিয়ে নিয়েছে। এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে দিন পার করছি। আমার পাওনা নগদ টাকা ফেরত পেলে পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারবো।
আমার ছোট দুটি বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই দুঃসময়ে আমি প্রশাসন ও সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
