রা জ শা হী র আ লোঃ – স্টাফ রিপোর্টার
শীতে কাবু উত্তরাঞ্চলের মানুষ। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও। চারঘাট ও তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ডায়রিয়া ও সর্দি-জ্বর-কাশি নিয়ে রোগী ভর্তি বাড়ছে। এ ধরনের রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।
তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ২৫টি শিশু ডায়রিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। শীত বাড়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে রোগীর চাপ বেড়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাঁনাবাস হাসদাক জানান, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসছে। বিশেষ করে ডায়রিয়া, কাশি, সর্দিসহ শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা বেশি।
চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র সূত্রে জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২৪ জন রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। গত ৭ দিনে চিকিৎসা নিয়েছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৫১ জন, এর মধ্যে অধিকাংশই শিশু।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে চিকিৎসা নিতে আসা বাঘা উপজেলার হেলালপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম বলেন, দুই দিন ধরে তিনি বমি ও ডায়রিয়ায় ভুগছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শে এখানে ভর্তি হয়েছেন। এখন অপেক্ষাকৃত ভালো আছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শহীদুল ইসলাম রবিন জানান, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী হাসপাতালে আসছে। বিশেষ করে শিশুরা বেশি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। রোটা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। তবে হাসপাতালে কলেরা স্যালাইনের সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশিকুর রহমান বলেন, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশুদের যেন ঠান্ডা না লাগে সে বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। এ ছাড়া শিশুদের গরম পরিবেশে রাখার পাশাপাশি গরম খাবার ও বেশি করে তরল খাবার খাওয়াতে হবে।
