রাজশাহীর আলোঃ- স্টাফ রিপোর্টার
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি) রাজশাহী’র উদ্যোগে গতকাল বেলা সাড়ে ১০ টায় মহানগরীর একটি হোটেলের মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য অধিদফতর, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা’র প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারীয়া পেরেরা এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোঃ তৌহিদুজ্জামান, বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মো: ফরহাদ হোসেন, সিনিয়র তথ্য অফিসার ফারুক মো. আব্দুল মুনিম ও মুহা. শামসুজ্জামানসহ জাতীয় ও স্থানীয় প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান তথ্য অফিসার বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণমাধ্যমই পারে সরকারের নানা কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরতে। গণমাধ্যমের লেখনি যত দ্রুত হবে, জনগণের কাছে তত তাড়াতাড়ি তথ্য পৌঁছবে এবং সরকারের এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াস ততই তরান্বিত হবে।
পারস্পরিক সম্পর্ক ও আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। আমাদের নতুন ০৩টিসহ বর্তমানে মোট ০৭টি অফিস রয়েছে। আমাদের কাজ সাংবাদিকদের জন্য যত দ্রুত সম্ভব অ্যাক্রিডেটেশন কার্ড ইস্যু করা। আমাদের নতুন অফিসগুলো চালু হওয়ায় আমাদের সক্ষমতা বেড়েছে, আমাদের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাংবাদিকদের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে। এ সরকার মিডিয়া বান্ধব সরকার। সরকার সাংবাদিকদের কাজে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে আন্তরিক। পিআইডি সে লক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করছে। পরাধীন বাংলাদেশ যখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা লাভ করে তখন দেশে মাত্র কয়েকটি পত্রিকা ছিল। বর্তমানে দেশে ৩৫টি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া চ্যানেল কাজ করছে।
তিনি বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে সরকার ও গণমাধ্যমকে একসাথে কাজ করতে হবে। ভুল সবারই হতে পারে, ভুল হলে সেগুলো ধরিয়ে দিন। সরকার কোনো অবস্থাতেই সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে ভয় পায় না। সরকার সাংবাদিকদের সাথে কাজ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়।
সভায় প্রধান তথ্য অফিসার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজকর্ম নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হবে ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে। এ জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশের অপরিহার্য ভূমিকার বিষয় উল্লেখ করেন।
