প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অনুসরণ করে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদস্যগণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৫৩০ ঘটিকায় ইউসুফপুর বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চারঘাট থানাধীন টাংগন নদীর ঘাট নামক এলাকায় মাদককারবারীরা ভারতীয় মাদকদ্রব্য পাচার করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল সুকৌশলে ঘটনাস্থলে পৌছে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে, একজন মাদক কারবারীকে আসতে দেখে আভিযানিক দল তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে তাদের নিকট থাকা একটি ব্যাগ ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক উক্ত ব্যাগটি তল্লাশী করে তার মধ্য হতে *৮০০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য চারঘাট থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এছাড়াও গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ২১৩০ ঘটিকায় চারঘাট বিকল্প বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চারঘাট থানাধীন চন্দন শহর নদীর পাড়ে আমবাগান নামক এলাকায় মাদককারবারীরা ভারতীয় মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রেখেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল সুকৌশলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আশেপাশে কোন লোকজন বা চোরাকারবারীকে দেখতে না পেয়ে বিজিবি’র আভিযানিক দল আম বাগানের ভিতর তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে দেখতে পায় যে, একটি আম গাছের নিচে ঝোপের মধ্যে একটি পোটলা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক উক্ত পোটলাটি খুললে তার মধ্য হতে *১০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ১০০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য চারঘাট থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
রাজশাহী সীমান্তে
