Oplus_16908288
স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহীর নওহাটা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সামনের জমি পৈতৃক সূত্রে পাওয়া বলে দাবি করেছেন ছাত্রদলের পবা উপজেলার সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, আমি নিজেই কলেজের কাছে জমি পাবো। তারা আমার জমি দখলে নিয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় একটি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এমন দাবি করেন তিনি। এর আগে রোববার ‘নওহাটা সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রাচীরের ধারে জায়গা দখল করে বিএনপি নেতা এমদাদ হোসেন ঘর নির্মাণ করছেন’ বলে সংবাদ প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। এর প্রতিবাদে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। জমিটি আমার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হকদখলীয় সম্পত্তি। জমিটি আমার বাবার নামে রেকর্ডভুক্ত ছিল। বাবার মৃত্যুর পর আমি বৈধ ওয়ারিশ হিসেবে ২০১০ সালে বাটোয়ারা দলিলমূলে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মাধ্যমে সম্পত্তিটি আইনগতভাবে গ্রহণ করি। জমিটির মৌজা নওহাটা (হাল-৯৩), আর.এস. দাগ নং-৭০৬ ও ৮৫২। এই সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত দোকানঘর আমি দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছি।
তিনি বলেন, আমি আমার পুরাতন দোকানঘরের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কিছু সংস্কার কাজ শুরু করি। একই সঙ্গে সংলগ্ন আমার নিজস্ব হকদখলীয় জায়গায় গেট বিম স্থাপনের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করি। কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অবগত আছে এবং এ বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে আমাকে জানিয়েছেন।
এছাড়াও এসিল্যান্ড এ বিষয়ে অবগত আছেন।
এ বিষয়ে নওহাটা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সাঈদ আলী বলেন, ইমদাদুল হকের পৈতৃক সম্পত্তি হতে পারে। কিন্তু কলেজের দেওয়াল ঘেঁষে দোকানঘর নির্মাণ করা শোভা পাই না। তিনি যেখানে দোকানঘর নির্মাণ করছেন ওই অংশে বৈদ্যুতিক মিটার এবং মেঝেতে সেফটি ট্যাংকি রয়েছে। ফলে বৈদ্যুতিক সংযোগ ও সেফটি ট্যাংকি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।
কলেজের রসায়ন ল্যাবরেটরি ও উপাধ্যক্ষের কক্ষের জানালাগুলো নির্মাণাধীন দোকানের ভেতরে পড়ে যাচ্ছে। জানালা বন্ধ হয়ে গেলে স্বাভাবিক আলো-বাতাস চলাচল ব্যাহত হবে, যা শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। আমরা এ বিষয়ে পবা ইউএনও মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি কি ব্যবস্থা নেবেন তার অপেক্ষায় আছি।
