filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 90; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 25;
স্টাফ রিপোর্টার
দীর্ঘ ১৬ দিন কবরে থাকার পর, আদালতের নির্দেশে ময়না তদন্তের জন্য উত্তোলন করা হলো শিশু আব্দুল্লাহর মরদেহ।
সোমবার উত্তর লক্ষ¥ীপুর গোরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম চক্রবর্তির উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর আব্দুল আজিজ, ওসি (তদন্ত) কর্ণহার থানা, মোঃ মতিন, শহিদুল ইসলাম চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত), মোঃ আরিফ সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড সদস্য, আশরাফুল ইসলাম ৬নং ওয়ার্ড সদস্য, মসজিদের ইমাম, এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
গত ১৬ দিন আগে আব্দুল্লাহর মৃত্যু হলে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করে তাকে দাফন করা হয়েছিল। তবে আব্দুল্লাহর আপন মায়ের দাবি, এটি সাধারণ মৃত্যু নয়। তার অভিযোগ, আব্দুল্লাহর সৎ মা তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছেন।
ছেলের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে এবং ন্যায়বিচারের আশায় আপন মা পরবর্তীতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই সত্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গতকাল দুপুরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মরদেহটি তোলার সময় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানিয়েছে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যাকাÐ নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু। আব্দুল্লাহর মা ও স্বজনরা এখন কেবল ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায়, যাতে সত্য সামনে আসে এবং দোষী ব্যক্তি শাস্তি পায়।
