আলো ডেস্ক
রাজধানীর মিরপুরে অটোরিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, বাস ভাঙচুর ও পুলিশকে মারধরের অভিযোগে পৃথক তিন থানার মামলায় গ্রেপ্তার ৪২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২০ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের তিনজন বিচারক পৃথক আদেশে তাদের কারাগারে পাঠান।
এদের মধ্যে প্রথম ১৫ জন মিরপুর মডেল থানার মামলার আসামি। এদিন তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজিবুর রহমান। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পরবর্তী ১২ জন কাফরুল থানার মামলার আসামি। এদিন তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল উপপরিদর্শক (এসআই) রিয়াজুল ইসলাম রানা শেখ। তাদের পক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। আইনজীবীর নিবেদন মতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামান আগামী ২৩ মে জামিন শুনানির দিন রেখে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শেষের ১৫ জন পল্লবী থানার মামলার আসামি। এদিন তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পার্থ মল্লিক। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহাম্মদ আইনজীবীর নিবেদন মতে আগামী ২৩ মে জামিন শুনানির দিন ধার্য করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে রোববার (১৯ মে) আগারগাঁও, মিরপুর-১, ১০ ও আশপাশের এলাকায় চালকরা রাস্তায় নেমে সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশ তাদের ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ রিকশাচালকরা সড়কে বসে বিক্ষোভ ও পরে বিভিন্ন যানবাহনে ভাঙচুর করেন। মিরপুরের কালশীতে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন দেন তারা।
সড়ক অবরোধ, অগ্নিসংযোগ, বাস ভাঙচুর ও পুলিশকে আহত করার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় একটি, পল্লবী থানায় দুটি ও কাফরুল থানায় একটি মামলা করেছে। চার মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনকে।
