সংগৃহীত
বিনোদন ডেস্ক
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সিনেমা মুক্তির হিড়িক পড়েছে ঢালিউডে। সিনেমার পাশাপাশি নাটক, টেলিফিল্ম এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ঈদে প্রকাশিত হয় বিশেষ বিশেষ কাজ। সেই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল ফিতরে আসছেন চঞ্চল চৌধুরী ও জেফার জুটি।
তারকা নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর পরিচালনায় চঞ্চল ও জেফার অভিনয় করেছেন ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী’ সিনেমায়। এই ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে এবার ঈদে। তবে প্রেক্ষাগৃহে নয়, এটি মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।
এর আগে গেল বছরের আগস্টে সিনেমার শুটিংয়ের কিছু ছবি পোস্ট করে ফারুকী বিস্তারিত জানিয়েছিলেন এর প্রসঙ্গে। তিনি লিখেছিলেন, আমার দর্শকরা অনেক দিন ধরে দুইটা অভিযোগ-অনুযোগ করতেছিল আমার কাছে। একটা হলো- প্রেমের বা নারী-পুরুষের সম্পর্কের গল্প করছেন না অনেক দিন। দুই আপনার হিউমার আর স্যাটায়ার মিস করতেছি। এটা নিয়ে আমি নিজেও আমার ভেতরে এক ধরনের ক্ষুধা টের পাচ্ছিলাম। মিনিস্ট্রি অব লাভ প্রজেক্টটা আমার সেই ক্ষুধার একটা অংশ মেটাচ্ছে।
মনোগামী (ওরফে লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামী) আর অটোবায়োগ্রাফি (ওরফে সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি) এই প্রজেক্টের ব্যানারে আমার বানানো দুটি ছবি। আজকে প্রকাশ করা হলো মনোগামীর মূল পাত্র-পাত্রী আর তাদের লুক। চঞ্চল ভাইয়ের সাথে অনেক দিন পর কাজ করা হচ্ছে। আর জেফারের এটা প্রথম অভিনয়। সাথে আছেন আরেক ডেব্যুটেন্ট প্রেমা। এই ছবির গল্পটা আমাদের মনের অলিগলিতে ঘুরে বেড়ায়।
ফলে গল্পটা উইট, ইমোশন আর কখনও ট্র্যাজিডির রঙ ধারণ করে, অনেকটা আমাদের জীবনের মতোই! চঞ্চল ভাই তার দুর্দান্ত কারিশমা দিয়ে এই বিচিত্র মুহূর্তগুলাকে জলবৎ তরলং করে দিয়েছেন। জেফার তো গানের লোক। কিন্তু সমান তালে ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছে সে। একই কথা প্রেমার ক্ষেত্রেও বলতে চাই। অভিনয়শিল্পীরা যখন তাদের পিকে থাকেন, তখনই আমি সবচেয়ে ভালো থাকি।
এবার ঈদে বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে রাজকুমার, দেয়ালের দেশ, ওমরের মতো বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা। আর ওটিটির দর্শকদের জন্য বড় ধামাকা হয়ে আসতে চলেছে ‘মনোগামী’। ছবিটি নিয়ে আশাবাদী চঞ্চল চৌধুরীও। তিনি বলেন, আমি ওটিটির সব দর্শককে আমন্ত্রণ জানাই ঈদ উৎসবে চরকিতে মনোগামী উপভোগ করার জন্য। গল্প ও নির্মাণে কাজটি দর্শককে মুগ্ধ করবে, সম্পর্ক নিয়ে ভাবাবে বলে আমার বিশ্বাস।
কোঁকড়ানো-ঝাঁকড়া চুলে, পাশ্চাত্যের পোশাকে এক উচ্ছল তরুণীর প্রতিশব্দ ছিলেন জেফার। মনোগামী সিনেমায় লামিয়া চরিত্রে খোলা চুলে, শাড়িতে বাঙালি বেশভূষায় পাওয়া যাবে তাকে। সিনেমার দৃশ্যধারণ শেষ হলেও সেই বেশভূষাকে ব্যক্তিগত জীবনেও ধারণ করেছেন তিনি। যেখানেই যান সেখানেই খোলা চুলে, শাড়ি, হাতকাটা ব্লাউজে, কানে ঝুমকায় স্নিগ্ধ সাজে ধরা দেন তিনি। সিনেমার দৃশ্যধারণের সময় দিনের পর দিন চুল খোলা রাখতে রাখতে মানিয়ে নিয়েছেন জেফার। পরে এই লুকেই থিতু হয়েছেন। জেফারের ভাষ্যে, ‘অনেকেই আমাকে দেখে চিনতেই পারেন না, এটা খুব উপভোগ করছি।
সিনেমাটি নিয়ে বেশ আশাবাদী জেফার। এতে অভিনয়ের পাশাপাশি একটি গানও লিখেছেন জেফার। নিজের সুরে গানে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি।
