আলো ডেস্ক: সরকার পতনে যুগপৎ ধারায় আন্দোলন জোরদারে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। কর্মসূচিগুলো হলো আজ সোমবার ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং আগামীকাল মঙ্গলবার জেলায় জেলায় সমাবেশ। গতকাল রোববার বিকেলে পল্টনে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
‘অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন, সংবিধান সংস্কার করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একদফা দাবিতে আন্দোলন জোরদার করুন’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত ২৯ জুলাই ঢাকার পাঁচটি প্রবেশ মুখে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। পুলিশ ও সরকারি দল বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর প্রকাশ্যেই সন্ত্রাসী কায়দায় উপর্যপুরি হামলা চালায়।
গাবতলীতে গণতন্ত্র মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিতে গেলে মঞ্চের শীর্ষ নেতা ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. ইউসুফ, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুর রাজ্জাক সজীবকে আটক করে পুলিশ। গত শনিবার শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও আবদুর রাজ্জাক সজীব মুক্তি পেলেও মঞ্চের নেতা ইউসুফ সেলিম এখনও মুক্তি পাননি। তিনি বলেন, বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১১টা মামলা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ অবস্থানে পুলিশ ও সরকার দলীয়রা বাধা দিয়েছেন। সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা যে তাণ্ডব চালিয়েছেন, তারই অংশ হিসেবে আমরা লক্ষ্য করলাম কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত শনিবার পুলিশের উপস্থিতিতে পরিকল্পিতভাবে বাসে আগুন দেওয়া হয়। গণমাধ্যমে এসব খবরাদি বিস্তারিত প্রকাশ পেয়েছে। বিএনপিসহ বিরোধীদের দমন করার অজুহাত হিসেবে যে বাসে আগুন দেওয়ার এসব ঘটনাকে ব্যবহার করা হবে তা স্পষ্ট।
সোমবার সকালে পুরোনা পল্টনে আমাদের দিনভর সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন সকালে বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরে সমাবেশ হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, জেএসডির শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাউযুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।
