স্টাফ রিপোর্টার
মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি নিয়ে চলছে রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ও হয়েছে অনেক আগে। প্রতিটি উপজেলায় কমিটি করছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি। কিন্তু হলো না মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীন নেতারা জানান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জেড‚ সরকার। বর্তমান স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মমিন তিনি যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী। এছাড়াও অনেকে তাকে ভাবছেন আগামীর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। ত্যাগী ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ জানান, মুমিন ভাই রাজপথে লড়াকু সৈনিক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলে সংগঠনা আরো শক্তিশালী হবে।
মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা। তিনি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে এবং তার নেতৃত্বেই নৌকার প্রার্থী তার ওয়ার্ডে বিপুল সংখ্যক ভোটে জয়ী হয়েছেন। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বী করবেন বলে জানা যায় মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজিব। ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীরা জানান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে মোস্তফায় এগিয়ে রয়েছেন।
তার নেতাকর্মী বহু সংখ্যক রয়েছে। মোস্তফা বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য পদ হয়ে আছেন। বাইরে থেকে অনেকেই মানতে নারাজ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্বে আসা। ত্যাগী ছাত্রদেরকে নেতা কর্মীরা সভাপতি হিসেবে রকি কুমার ঘোষকে চাচ্ছে না। তিনি রাত্রে কলেজে সাবেক সভাপতি ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। তিনি ছাত্রলীগের দায়িত্বে থাকা কালে ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীর সাথে তিনি দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। লবিং গ্রুপিং রাজনীতির কারণে অনেকে তাকে মানতে চাচ্ছে না।
সে সময় রাজশাহী কলেজে তার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ববিন তিনি তার সাথেও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন ফলে ছাত্রলীগের কিছুটা ভাবম‚র্তি ক্ষুন্ন হয়। মহানগর ছাত্রলীগের দায়িত্ব থাকার সময়ও তিনি একাধিক ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে লবিং গ্রুপিংয়ে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়াও তার নামে আরও কিছু অভিযোগ রয়েছে। তিনি তার ওয়ার্ডের যুবলীগের নেতাকর্মীর সাথে বিভিন্ন সময় দ্বিধা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একজন সিনিয়র নেতা জানান, তার নেতৃত্ব সময়ে ছাত্রলীগে তিনি তেমন নেতৃত্ব তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছেন। অনেক সিনিয়ার নেতারাও তাকে চাচ্ছেনা। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নেতা জানান, নেতা কর্মীদের সাথে লবিং গ্রুপিং না। সংগঠন শক্তিশালী করতে হবে। টাকার বিনিময়ে যেন কমিটি না হয় যেমন হচ্ছে অন্যান্য জেলায়। অনেকের ছাত্রলীগ করে বহু টাকা ইনকাম করেছে এরা নেতৃত্বে আসলে দলকে ব্যবহার করবে ব্যবসায়ী কারণে।
অনেকে আবার মহানগর এর দায়িত্ব থাকার সময় গোদাগাড়ী তানোর সহ বিভিন্ন উপজেলাতেও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা করেছেন তাহলে তালা মহানগরে কেন জেলায় থাকবে। ব্যবসায়ীরা যেন রাজনীতির বড় পোষ্টে না আসে তাহলে নেতৃত্ব তৈরি হবে না। অনেকে ছাত্রলীগ করে বহু টাকা ইনকাম করেছে তারা দলের আদর্শ চূর্ণ-বিচুর্ণ করেছে।
