আলো ডেস্ক: জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে দেশের মানুষের দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ। সংগঠনের আহবায়ক বলছেন, জ্বালানের মূল্যবৃদ্ধিতে গণপরিবহনে বেড়েছে ভাড়া নৈরাজ্য। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। গত দুদিনে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষের এখন সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে।
সবমিলিয়ে অসহায় মানুষের দম বন্ধের উপক্রম হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের আহবায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাজারে অধিকাংশ দোকানেই বোতলজাত সয়াবিন উধাও। খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা লিটারে। সাধারণ মানুষের জন্য ব্রয়লার মুরগি যখন ছিল একমাত্র অবলম্বন, সেই মুরগির দাম ১৯০ টাকা কেজি।
মাছ, তরকারিসহ এমন কোনো পণ্য নেই, যার দাম বাড়েনি। সকালে যে দামে পণ্য পাওয়া যায়, বিকেলে তা আরও বেশি দামে কিনতে হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচামরিচের দাম ছুঁয়েছে ৩৫০ টাকা কেজি। মহিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ পরিবার যখন এলপিজি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, সেই এলপিজিতেও মুনাফাখোরদের চোখ পড়েছে।
সিলিন্ডারপ্রতি ৫০-১০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। ক্রেতাকে ভয় দেখিয়ে বলা হচ্ছে, আগামীকাল হয়তো আর সিলিন্ডার গ্যাস পাবেন না। বাজারে খোলা আটা খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকদের জীবন চালানো খুবই কঠিন। আমরা সরকারকে বিনীত অনুরোধ করতে চাই, দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন। এ পরিস্থিতি থেকে যদি উত্তরণ না হওয়া যায়, তাহলে মানুষকে না খেয়ে মরতে হবে বলেও উল্লেখ করেন নাগরিক সমাজের আহবায়ক।
