সংগৃহীত ছবি
আলো ডেস্ক
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুল করিম মিন্টুকে নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ওপর কোনো ধরনের চাপ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
রবিবার (২৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই কথা জানান তিনি।
হারুন বলেন, ‘আনার হত্যাকাণ্ডের ক্লু বের করতে ডিবি পুলিশের দল রাত-দিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের টিম নেপালে গেছে এবং আমাদের তথ্যের ভিত্তিতে নেপালে সিয়াম গ্রেপ্তার হয়েছে। এছাড়া কলকাতায় গিয়েও আমরা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছি আলামত উদ্ধারে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল কিলার শিমুল ভুঁইয়াসহ আরও অনেককে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। এর মধ্যে চারজন আসামি বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আমরা যদি চাপ অনুভব করতাম তাহলে এই মামলায় আমাদের এত এচিভমেন্ট হতো না।’
নগর পুলিশের ডিবি প্রধান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন এই মামলার তদন্ত কাজে কোনো চাপ নেই। তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন নিরপেক্ষভাবে মামলার তদন্ত করা হয়। ডিবি নিরপেক্ষভাবে এ মামলার তদন্ত কাজ করছে। এ মামলায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করা হবে না এবং কাউকে অযথা ডাকাডাকি করা হবে না। সুস্পষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।’
আনার হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আখতারুজ্জামান শাহিনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার মাস্টারমাইন্ড শাহিন যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের একটা বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে, সেহেতু আমরা ভারতীয় পুলিশকে বলেছি যেন তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে আমরা টিম নিয়ে গিয়ে কথা বলেছি। এছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরের এমসিবি শাখার মাধ্যমে আমরা ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়েছি। শাহিনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। আরও এক দুজন আসামি বাকি রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি হবে।’
এমপি আনারের মেয়ে ডরিনের কলকাতা যাওয়ার বিষয়ে হারুন বলেন, ‘ভারতীয় পুলিশ দূতাবাসের মাধ্যমে ডরিনকে জানিয়েছে যাওয়ার জন্য। ডরিনের সাথে আমার কথা হয়েছে, তিনি মনে হয় কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। তার স্বাস্থ্য ভালো হলে তিনি শিগগিরই ভারতে যাবেন।
