আলো ডেস্ক
নাটোরের সিংড়া উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেনকে মারধরের ঘটনাটি তার মনোনয়ন বৈধ হলেই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইনের আওতায় আসবে।
বুধবার (১৭ এপ্রিল) ৩১তম কমিশন বৈঠক শেষে এমন মন্তব্য করেছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।
ভুক্তভোগী প্রার্থীর পরিবার এ ঘটনার জন্য আরেক প্রার্থী লুৎফুল হাবীব রুবেল ও তার সমর্থকদের দায়ী করেছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফুল কবীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শ্যালক। দেলোয়ার হোসেন মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে লুৎফুল হাবীব ছিলেন একক প্রার্থী।
এ নিয়ে ইসির ভূমিকা জানতে চাইলে সংস্থাটির সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, সকালে কমিশন বিষয়টি নিয়ে বসেছিল। সিদ্ধান্ত যা নেওয়া হয়েছে দৃশ্যমান হলে আপনারা বুঝতে পারবেন।
তিনি বলেন, নাটোরের ঘটনাটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। ফৌজদারি অপরাধের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে। দুজনকে ইতোমধ্যে আটক করেছে। এদের একজন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। সুতরাং ক্রিমিনাল অফেন্সের বিষয়ে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে।
ইসি সচিব আরও বলেন, কমিশন সংক্রান্ত বিষয়ে আইনগত দিকটা দেখতে হবে। যিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন, তিনি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ হলে তখন সেটা নির্বাচন কমিশনের আওতায় আসবে। তখন নির্বাচন সংক্রান্ত আইন-কানুন প্রতিফলিত হবে।
