ফাইল ছবি
আলো ডেস্ক
বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা আপিল বিভাগেও বাতিল রইল। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এতে করে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না তিনি।
এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে আপিল বিভাগে আবারও আবেদন করেন সাদিক আব্দুল্লাহ। পরে আবেদনের শুনানি শেষে আজ আদেশের দিন নির্ধারণ করেছিলেন চেম্বার আদালত।
ওইদিন আদালতে সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। অপরপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।
এর আগে ২০ ডিসেম্বর সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে ফের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়। আবেদনের বিষয়টি সাদিক আবদুল্লাহর আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে ফের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চাওয়া হয়েছে।
তার আগে ১৯ ডিসেম্বর সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর ফলে তার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
ওইদিন আদালতে সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান ও অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। অপরপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।
এর আগে সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কর্নেল জাহিদ ফারুক।
দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রশ্নে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত ১৭ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতে রিট করেন সাদিক আব্দুল্লাহ। ১৮ ডিসেম্বর বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর বেঞ্চ সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে আদেশ দেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রশ্নে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা রিটের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।
