আলো ডেস্ক
আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচনমূখী অবস্থান দেখে মনে হয় আগামী নির্বাচনে (ভোটের দিন) ভোট কেন্দ্রগুলো’ আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে পরিণত হবে এমন মন্তব্য করে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেন, আওয়ামী লীগ প্রতারক, নৌকা গুম-খুনের প্রতীক সুতরাং জনগণ তাদের ভোট দেবে না।
বুধবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলকালে জোট নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। রাজবন্দীদের মুক্তি, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ১২ দলীয় জোটের অবরোধ সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে বিজয় নগর ঘুরে পল্টন মোড় এসে শেষ হয়।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ প্রধান বলেন, এদের নাম আওয়ামী লীগ। যারা মজলুম মানুষের রক্তাক্ত লাশের ওপর দিয়ে আবারও পাতানো নির্বাচন খেলা খেলতে চায়। তাদের প্রতিহত করতে হবে। আওয়ামী লীগ এখন দেশের শক্র, জনগণের শত্রু। তারা দেশের পচনশীল রাজনৈতিক দল এবং নৌকা গুম-খুনের প্রতীকে পরিনত হয়েছে। এবার জনগণ তাদের প্রতিহত করতে রাস্তায় নেমেছে।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম বলেন, দেশের অর্থনীতির ওপর আওয়ামী লীগের আগ্রাসন বর্তমানে দেশকে গভীর বিপদে ফেলেছে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়ে জনগণের বিজয় অর্জিত হবে ।
বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ৬৪টি রাজনৈতিক দল এবং ৯০ ভাগ মানুষ নির্বাচন বয়কট করেছে। তাই এই নির্বাচন দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। গণবিরোধী এই নির্বাচন করলে বা হতে দিলে বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকট গণীভূত হবে।
