আলো ডেস্কঃ পদ্মা সেতু হয়ে প্রথমবারের মতো ঢাকা থেকে ভাঙ্গা স্টেশনে পৌঁছানোর পর সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল করবে। আর আগামী বছরের জুন মাসেই যশোর পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
এর মাধ্যমে মোংলা পোর্টকে পরিপূর্ণভাবে ব্যবহারের জন্য রেলপথকে কাজে লাগিয়ে খরচ ও সময় কমবে। এর মাধ্যমে এ রেল যোগাযোগ অর্থনৈতিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। তিনি বলেন, খুলনায় যেসব ট্রেন চলছে সেগুলোকে এই রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করা হলে মোংলা পোর্টকে পরিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা যাবে।
দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সেটি আরও বেশি প্রসারিত হবে। এই রেলপথকে কাজে লাগিয়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের সময় ও খরচ কমবে। ঢাকা থেকে খুলনার যে দূরত্ব তা অর্ধেকে নেমে আসবে। মন্ত্রী আরও বলেন, যাতায়াত, মালামাল পরিবহনে অনেক সুবিধা পাবে মানুষ।
এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন এই অঞ্চলের মানুষ। কলকাতার সঙ্গে যারা ব্যবসা বাণিজ্য করে তাদেরকে আর বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মালামাল পরিবহন করতে হবে না। ঢাকা যশোর রেলপথ পুরোপুরি চালু হলে ঢাকা থেকে সরাসরি এই পথ ব্যবহার করা যাবে। ঢাকা থেকে যশোর ১৭২ কিলোমিটারের রেল লাইনের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে ভাঙ্গা আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রায়াল রান করলাম।
এটা প্রস্তুত হয়েছে সেটা দেখলাম। আমাদের সাথে যাত্রী হয়ে সাংবাদিকরা এসেছেন। এ সময় রেলের ডিজি, সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্টদের যারা এই প্রকল্পের জন্য নিরলস কাজ করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এও জানান, আগামী ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, এর আগের কোনো সরকার রেল নিয়ে কাজ করে নাই। প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরে ২০১১ সালে রেল মন্ত্রণালয় গঠন করে রেলের উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন।
রেল নিয়ে আমাদের যে পরিকল্পনা মোটা দাগে, আমরা সমগ্র জেলায় রেল সংযোগ পৌঁছে দেব। ভাঙ্গা স্টেশন অত্যন্ত আধুনিক এবং আইকনিক বিল্ডিং দিয়ে তৈরি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদের আহ্বান জানাবো- রেলের সম্পদ জনগণের সম্পদ। আপনারা এই সম্পদ রক্ষায় আমাদের সহায়তা করবেন। যাতে কোনো দুষ্টু লোক এই সম্পদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে।
