ক্রীড়া ডেস্কঃ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ডিসেম্বরে ভারতে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু তা সত্ত্বেও একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ খেলার জন্য রাজি হয়ে যান কুইন্টন ডি কক। এবার জানা গেল বিশ্বকাপ শেষে ওয়ানডে ফরম্যাট থেকে অবসরে যাবেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের জন্য আজ ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট। কিন্তু এরপর ডি ককের অবসরের ঘোষণা আসাটা অপ্রত্যাশিতই। বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কেবল টি-টোয়েন্টিই খেলবেন তিনি। ২০২১ সালে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানান এই উইকেটরক্ষক।
ডি ককের অবসর প্রসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট ডিরেক্টর এনোখ এনকুয়ে বলেন, ‘কুইন্টন ডি কক সত্যিই দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটের একজন ভালো ক্রিকেটার। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শৈলী দিয়ে সে নিজের মানদণ্ড স্থাপন করেছে এবং বছরের পর বছর দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিল। সে অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ডও পরেছে এবং এটা এমন এক সম্মান যা খুব কম লোকই পায়। ‘
‘ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে তার সরে আসার সিদ্ধান্তটি আমরা বুঝতে পেরেছি এবং বছরের পর বছর তার অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমরা। ভবিষ্যতের জন্য তার প্রতি শুভকামনা, তবে এখনো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাকে প্রোটিয়াদের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখার জন্য মুখিয়ে আছি আমরা। ‘
২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় ডি ককের। একই বছর ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তিন ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তাক লাগিয়ে দেন এই ওপেনার। এখন পর্যন্ত ১৪০ ওয়ানডে খেলে ৪৪.৮৫ গড়ে ৫ হাজার ৯৬৬ রান করেছেন তিনি। এছাড়া গ্লাভস হাতে ডিসমিসাল করেছেন ১৯৭টি।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দলে তেমন কোনো চমক নেই। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ১৮ সদস্যের দল থেকে বাদ পড়েছেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ট্রিস্টান স্টাবস ও ওয়েইন পারনেল।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ দল: টেম্বা বাভুমা, গেরাল্ড কোজি, কুইন্টন ডি কক, রেজা হেনড্রিকস, মার্কো ইয়ানসেন, হাইনরিখ ক্লাসেন, সিসান্ডা মাগালা, কেশভ মহারাজ, এইডেন মারক্রাম, ডেভিড মিলার, লুঙ্গি এনগিদি, আনরিখ নরকিয়া, কাগিসো রাবাদা, তাবরাইজ শামসি, রাসি ফন ডার ডুসেন।
