আলো ডেস্ক: বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেছেন, সীমান্ত সুরক্ষা ও অভ্যন্তরীণ আইন শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি দেশের সব মহৎ কাজে বিজিবির প্রতিটি সদস্যর স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে অংশগ্রহণ রয়েছে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিজিবি বলিষ্ঠ অবদান রাখবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ‘নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৩ এর সফল বাস্তবায়নে বিজিবির মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক।
গতকাল রোববার পিলখানার বিজিবি সদর দপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হল সংলগ্ন পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন তিনি। বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশ অনেকটাই অগ্রসর হয়েছে।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে উপনীত হয়েছে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশে উন্নীত হবে। কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। গবাদিপশু উৎপাদনে, সবজি ও মৎস্য চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জিত হয়েছে। মৎস্য চাষে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেন, একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে সুস্থ জাঁতি গঠন অত্যাবশক।
আর সুস্থ জাঁতি গঠনে আমিষের গুরুত্ব অপরিসীম। আমিষের সিংহভাগ চাহিদাই পূরণ করে মাছ। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাছ চাষের বিকল্প নেই। তিনি বিজিবির সব রিজিয়ন, প্রতিষ্ঠান, সেক্টর, ব্যাটালিয়ন ও বিওপিতে যে সব পুকুর, ডোবা ও জলাশয় রয়েছে তা সংস্কার করে মাছ চাষের আহ্বান জানান প্রতিটি বিজিবি সদস্যকে। শুধু কর্মস্থলেই নয়, বিজিবির সব সদস্যকে তাদের নিজ বাড়ির পরিত্যক্ত ডোবা, নালা ও জলাশয়ে মাছ চাষেরও পরামর্শ দেন।
মাছের পোনা অবমুক্ত করার পর সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বিজিবি মহাপরিচালক। বিজিবির প্রতিটি পুকুর, ডোবা ও জলাশয়ে মাছ চাষ করে যদি সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করা হয় তবে তা বাহিনীর আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও ভ‚মিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
