আলো ডেস্কঃ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বগুড়াকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর (আরডিএ) দুই দিনব্যাপী ৩৩তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৩তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে দারিদ্র্য ও আঞ্চলিক বৈষম্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই আরডিএ প্রতিষ্ঠা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধনী-গরিবের বৈষম্য নিরসনে বহুমাত্রিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। দেশের বর্তমান ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এই প্রতিষ্ঠানকে আরও নতুন নতুন টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, কৃষিতে আধুনিক টেকসই প্রযুস্ক্তি উদ্ভাবন ও প্রায়োগিক গবেষণার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বগুড়া আরডিএ অবদান রাখবে।
ইতোমধ্যেই আরডিএর উদ্ভাবিত ভূগর্ভস্থ সেচ নালা, গভীর নলকূপের বহুমুখী ব্যবহার, সৌরশক্তিচালিত বহুতল কৃষি, কমিউনিটিভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট এবং চরবাসীর জন্য টেকসই গ্রামীণ জীবিকা মডেল উদ্ভাবনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা এবং প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-২০৪১ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে আরডিএ সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলেও আশা করেন প্রতিমন্ত্রী।
আরডিএর মহাপরিচালক মো. খুরশিদ আলম রেজভীর সভাপতিত্বে বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোসাম্মাৎ হামিদা বেগম বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।
এ ছাড়া হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাঁচার্য অধ্যাপক ড. এম কামরুজ্জামান, সমবায় নিবন্ধক ও মহাপরিচালক মো. শফিকুর রেজা বিশ্বাসসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও প্রতিনিধিরা পরিকল্পনা সম্মেলনে অংশ নেন।
