স্টাফ রিপোর্টার
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাব নিয়মিত জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, মাদক, অস্ত্রধারী অপরাধী, পর্নোগ্রাফি, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, ধর্ষণ, মানব পাচারকারীসহ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় একটি অপারেশন দল অদ্য ২৬ জুলাই ২০২৩ ইং তারিখ ১২.০৫ ঘটিকা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্প, র্যাব-৫ এবং সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্প, র্যাব-৬ এর সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করে ICT-BD [ICT-1], Case No. 11 of 2018 under section 20(1) of the International Crimes (Tribunals) Acts, ১৯৭৩ এর মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী মোঃ ফসিয়ার রহমান (৬৫), পিতা-মৃত মনছুর আলী, সাং-ছোট খুদরা, থানা-বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর’কে নাটোর জেলার লালপুর থানাধীন পানঘাটা সরদারপাড়া এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, ধৃত মোঃ ফসিয়ার রহমান (৬৫) রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ কালে অপহরণ, নির্যাতন, আটক, ০৬ জনকে হত্যাসহ বিভিন্ন মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ছিলেন। আন্তজার্তিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ ধৃত রাজাকার মোঃ ফসিয়ার রহমান (৬৫)সহ যশোরের ০৪ জনের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধ প্রমানিত হলে ২৫/০৬/২০২৩ ইং তারিখ আন্তজার্তিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম এর নেতৃত্বে ০৩ সদস্যের ট্রাইবুন্যাল রাজাকার মোঃ ফসিয়ার রহমান (৬৫)সহ ০৪ জনের বিরুদ্ধে মৃতুদন্ডের আদেশ প্রদান করেন।
আন্তজার্তিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ আসামী মোঃ ফসিয়ার রহমান (৬৫)এর মৃত্যুদন্ডের আদেশের পর হতে আসামী মোঃ ফসিয়ার রহমান (৬৫) ছদ্দবেশ ধারণ করে বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আতœগোপনে থাকে। পরবর্তীতে র্যাবের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নাটোর জেলার লালপুর থানাধীন কদিমচিলান ইউনিয়নের পানঘাটা সরদারপাড়াস্থ এলাকা হতে উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।
