আলো ডেস্ক: ধর্ষণ মামলায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহেল উদ্দীন প্রিন্সের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার ৬ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আল মামুন এ আদেশ দেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ২৩ নভেম্বর সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের নামে ধর্ষণের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলাটি দায়ের করেছিলেন ভুক্তভোগী এক নারী। মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীও একজন সরকারি কর্মকর্তা। পরিচয়ের সুবাদে এএসপি সোহেল উদ্দীনের সঙ্গে তার বিয়ের কথা হয়। ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সোহেল উদ্দীন তাকে রমনা পুলিশ অফিসার্স মেসে আসতে বলেন।
সেখানে তার আত্মীয়স্বজন উপস্থিত থেকে কাজির মাধ্যমে বিয়ে হবে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। বাদী ওইদিন সন্ধ্যা ৭টায় তার আত্মীয়-স্বজনসহ রমনা পুলিশ অফিসার্স মেসে উপস্থিত হয়ে সোহেল উদ্দীন ছাড়া আর কাউকে দেখতে না পেয়ে প্রশ্ন করলে আসামি জানান কিছুক্ষণের মধ্যে সবাই এসে যাবে। বাদী সরল বিশ্বাসে আসামির সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।
কথাবার্তার একপর্যায়ে আসামি তাকে খুন করার ভয় দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করেন। মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে আসামির নামে অভিযোগটি প্রমাণিত হলে প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। বাদী জানান, সোহেল উদ্দিন প্রিন্স বর্তমানে বরখাস্ত অবস্থায় আছেন। তিনি ৩৬তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। তিনি আগেও বিয়ে করেছিলেন। ওই স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুকের মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হন।
