স্টাফ রিপোর্টার
গত এক মাস ধরেই তানোরে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় প্রতিদিনই চলছে সম্মেলন। জেলা কমিটির অনুমোদন ছাড়াই ফারুক চৌধুরী নিজের ইচ্ছামত সভাপতি সেক্রেটারিকে দিয়ে করাচ্ছে কমিটি। ২৩শে জুলাই এক মঞ্চে তিনি সাতটি সম্মেলন করেন। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ ও কৃষক লীগ।
১৪ই জুলাই স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি হয়েছে এ কমিটিতে জেলা আওয়ামীলীগ কোন অনুমোদন ছাড়াই। তারপর থেকে প্রতিদিনই হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি। স্বরনজায় ইউনিয়ন সহ প্রতিটি ইউনিয়ন মন্ডল পৌরসভাতে হয়ে গেল কাউন্সিল কিন্তু ঐ কাউন্সিলে জেলার কোন নেতাই উপস্থিত ছিল না। এ বিষয় নিয়ে অনিল কুমার সরকারের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি আওয়ামী লীগের এমপি ফারুক চৌধুরী আমাদের অনুমতি ছাড়া ইচ্ছামত কমিটি করছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন ও প্রদীপ সরকার জানান, আমরা সংসদের কথামতো কমিটি করছি। রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে কোন কমিটি করতে এবং কমিটির ভাঙতে তিনি নিষেধ করেছেন। আওয়ামীলীগ সহ অঙ্গ সংগঠনগুলো এর ভিতর অন্তর্ভুক্ত। রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রেন্টুর বিরুদ্ধে উঠেছে এমপিদের মনের ইচ্ছা মতো কমিটি করার।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটিতে বর্তমানে যারা সভাপতি সাধারণ সম্পাদক আছে অনেকে কোন দিন ছাত্রলীগই করেনি। অনেকের ছাত্রলীগ তো দ‚রের কথা এই আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সাথে জড়িত ছিল না। অন্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এখন নেতা হয়ে গেছে। এ বিষয় নিয়ে মন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র রাব্বানী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব দানকারী এ নেতার সাথে কথা বলে তিনি জানান, ফারুক চৌধুরী নিজের ইচ্ছামত কমিটি করছে জেলা কমিটির কোন অনুমোদনই তিনি নিচ্ছে না।
তানোর পৌরসভার অনেক নেতারাই জানান, ফারুক চৌধুরী নিজের ইচ্ছামতোই নিজের লোকদেরকে কমিটিতে পৌঁছাচ্ছেন যারা অনেকেই বিএনপি ও জামাতের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। তাদের পরিবারেও অনেকে বিএনপি’র নেতা রয়েছে। সংসদের এরকম কর্মকান্ডে বিব্রত ত্যাগী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, আমাদের সাংসদ বিএনপি ও জামাতের নেতাকর্মীদের ঢুকিয়ে তারা হাতভারি করছে।
