আলো ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা ও পাবনার ঈশ্বরদীতে গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন দুই জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় এটিই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। আর ঈশ্বরদীতে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত ২ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ১৫ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। গত মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ তা বেড়ে এ জেলায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অন্যদিকে গতকাল বুধবার ঈশ্বরদীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অধিদপ্তর এই দাবদাহকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলে জানিয়েছে। এর আগে গত সোমবার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। টানা তীব্র তাপপ্রবাহে দুই জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না কেউ। প্রচণ্ড রোদে বেশি সমস্যায় পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুররা।
সেইসঙ্গে হাসপাতালে বাড়ছে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত আবহাওয়া কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, এ তাপপ্রবাহ আরও ২-৩ দিন চলবে। ২২ এপ্রিলের পর অবস্থার উন্নতি হবে। এদিকে তীব্র গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঈশ্বরদীতে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হওয়ায় জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
ঈশ্বরদী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এবং নেসকোর নির্বাহী (আবাসিক) প্রকৌশলী আব্দুন নূর জানান, ঈশ্বরদীতে ব্যবসা বাণিজ্য, মিল কলকারখানাসহ আবাসিক এলাকার জন্য প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৩৭ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে আমরা ১৫ থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎও পাচ্ছি না। এ কারণে লোডশেডিং দিয়ে সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হচ্ছে।
