আলো ডেস্ক: ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ঝাটুকদিয়া এলাকায় একটি পিকআপভ্যাপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পিকআপভ্যানে থাকা অপর পাঁচজন। গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি হলেন- বরিশালের কাউনিয়া থানার শাপানিয়া এলাকার ছাত্তার আকনের ছেলে নান্টু আকন (৬০)।
আহতরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার নবগ্রাম উপজেলার আবদুল হাইয়ের ছেলে হৃদয় (২৮), একই জেলার গোইট্টা গ্রামের রশিদ হাওলাদারের ছেলে মো. তারেক (৩৫), বরিশালের এয়ারপোর্ট থানার কোলচার এলাকার নবাব আলী হাওলাদারের ছেলে মো. রাজ্জাক (৪৫), একই জেলার শাহপরান এলাকার মো. জামালের ছেলে সাজ্জাদ (৩০) ও বাগেরহাটের মোল্লার হাঁট উপজেলার কাহালপুর এলাকার সোলেমান শেখের ছেলে চুন্নু শেখ (৪০)। হতাহতরা সবাই গরু ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে একটি পিকআপভ্যান গরু কেনার উদ্দেশে ফরিদপুরে আসছিল। পথে ঝাটুকদিয়া এলাকায় এসে পিকআপভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা একটি কাঁঠাল গাছে ধাক্কা লাগলে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. তৈমুর ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন।
অন্যদিকে ফরিদপুরে পিকআপ, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর-ঢাকা মহাসড়কের কোমরপুরে, মুসলিম মিশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ফরিদপুর পৌরসভার বর্ধিত ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুর রহমান মিয়ার ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (২৮) এবং একই এলাকার ইলিয়াস মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লা (২৯)। ফরিদপুর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মোল্লা বলেন, নিহতরা সম্পর্কে তার ভাতিজা ও নাতি হন।
তারা ২ জনই রাতে এশা ও তারাবির নামাজ পড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। এ সময় দুর্ঘটনা ঘটে। নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং রায়হান মোল্লাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। করিমপুর হাইওয়ে থানার ওসি শহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনায় সিএনজির ২ যাত্রীর অবস্থাও গুরুতর।
