আলো ডেস্ক: বাংলাদেশে ইলেকট্রিক বাইকের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে বিনিয়োগ পরিবেশও ভালো। এ অবস্থায় বিদেশি ডেলিগেটদের এ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। গতকাল সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এফবিসিসিআই আয়োজিত বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের প্লেনারি সেশনে এ আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান খান বলেন, দেশে মোটরবাইকের পলিসি হয়েছে। এখন বাইক ও ইলেকট্রিক বাইকের বিষয়ে নীতিমালা আসছে। এখন বলতেই পারি, আপনারা এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে তিন চাকার অটোরিকশা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে হাফিজুর রহমান খান বলেন, আমরা লিড অ্যাসিড ব্যাটারি থেকে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির দিকে যাচ্ছি। এরইমধ্যে দুই কোম্পানি কাজ শুরু করেছে। এটা বেসিক পর্যায়।
আগামীতে আমরা লিথিয়াম আয়নের দিকে যাবো। নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমদ বলেন, দেশের মধ্যে লিথিয়াম ব্যাটারির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটা শুধু অভ্যন্তরীণ না, বাহিরের চাহিদাও ব্যাপক। এরইমধ্যে এ খাতে বিনিয়োগ আসছে। এর মাধ্যমে দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি আয় আসবে।
ইলেকট্রিক বাইকের সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারেন। মোবাইল-ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, আমরা ৯৬ সালে ডিজিটাল কানেক্টিভিটির কথা বললাম, ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ, এখন স্মার্ট বাংলাদেশে। এ নিয়ে শিক্ষায় আমাদের প্রযুক্তি এসেছে।
তবে সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আমরা এখনো সেভাবে সমন্বয় করতে পারিনি। আবার ডাটা কানেক্টিভিটি ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে আরও সমন্বয় প্রয়োজন। এতে আমাদের অর্থনীতি আরও বড় হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের উত্তর এলাকা দিনাজপুরে দেখেছি অটোমেটিকভাবে জমিতে পানি দেওয়া হচ্ছে। ড্রোন ব্যবহার করে সার দেওয়া হচ্ছে।
দেশের কৃষকের অবস্থা দেখলেও আমরা বুঝতে পারি কতটা আমরা এগিয়েছি। সিমেন্সের প্রধান নির্বাহী প্রসাদ পালসোকার বলেন, অটোমোবাইল একটা সময় প্রকৌশল নির্ভর ছিল। এখন হাইটেক ও অটোমোবাইল একিভূত হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি ছাড়া অটোমোবাইল অস্তিত্বহীন।
এমসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি হাবিবুল্লাহ এন করিমের পরিচালনায় আয়োজিত সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, পিডবিøউসির সিনিয়র পার্টনার অরিজিৎ চক্রবর্তী।
