আলো ডেস্ক: বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতেই ২০০৯ সালে পিলখানা ট্র্যাজেডি ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)। দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান বলেন, একুশ যেমন গৌরবের, তেমনি ২৫ ফেব্রুয়ারি লজ্জার। এ লজ্জা থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে পিলখানা ট্র্যাজেডির সঙ্গে জড়িত ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তিনি বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির ‘ঘটনার পেছনের রহস্য’ উদঘাটন প্রয়োজন।
দেশ ও জাতির স্বার্থেই বিডিআর বিদ্রোহের নেপথ্য রহস্য জাতিকে জানানো উচিত সরকারের। সে সঙ্গে সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য নায়কদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে খন্দকার লুৎফর রহমান এসব কথা বলেন।
এ সময় জাগপার সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহাদাত বলেন, পিলখানা হত্যা মামলার অন্যতম রায়দানকারী বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী তার দীর্ঘ রায়ে ‘ঘটনার পেছনের ঘটনা’ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের সুপারিশ করলেও আজও তা আলোর মুখ দেখেনি। মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে সামান্য সংখ্যক প্রাচীন অস্ত্র নিয়ে তৎকালীন ইপিআর বাহিনী এক অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল ভ‚মিকা রেখেছিল।
সেই বাহিনীকে যারা বিতর্কিত করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম, আওলাদ হোসেন শিল্পী, যুব জাগপার সভাপতি মীর আমীর হোসেন আমু, মাউনুল হক প্রমুখ।
