আলো ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া মহান ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ভাষা সংগ্রামের শিক্ষা অন্যায়ের কাছে মাথানত না করা। গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, আমাদের মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে যারা মহান করেছেন, যাদের কারণে ভাষা আন্দোলন আজ এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, সেই শহীদদের পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে জাতি। নেতারা বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে। মহান ভাষা সংগ্রামের শিক্ষা হচ্ছে, একুশ মানে, মাথানত না করা।
বছর ঘুরে ফেব্রুয়ারি আসে, আর ফেব্রুয়ারির সিঁড়ি বেয়ে একুশ আসে। সময়ের আবর্তনে এবারো ফেব্রুয়ারি এসেছে এবং এসেছে অমর একুশে। আমাদের গর্ব ‘অমর একুশে’ এবার পূর্ণ করবে ৭১বছর। তারা বলেন, রক্তরঞ্জিত একুশে এখন শুধু বাঙালির নয়, গোটা বিশ্ববাসীর সম্পদ, ঐতিহ্য ও গর্বের উৎস। একুশে ফেব্রুয়ারি স্বীকৃতি লাভ করেছে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে।
১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন ছিল নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুকঠিন লড়াই। ভাষা সংগ্রামের মধ্য দিয়েই সেদিন রোপিত হয়েছিল মহান স্বাধীনতার বীজ। রক্তসিঁড়ি বেয়ে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা অর্জন করেছি চূড়ান্ত বিজয়। লাল সবুজ পতাকা শোভিত নতুন মানচিত্রের বাংলাদেশ। নেতারা বলেন, ‘একুশে’ মানুষকে স্বৈরাচার এবং গণবিরোধী শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাহসী করেছে।
একুশের শহীদ মিনারে শপথ নিয়েই এ দেশের মানুষ পথ চলেছে প্রতিটি সংগ্রামে। বাংলাদেশের সাহিত্য, নাটক, সঙ্গীতসহ চিত্রকলা ও সংস্কৃতির সব মাধ্যমে একুশ যতখানি প্রভাব ফেলেছে, অন্যকোনো আন্দোলন বা সংগ্রাম ততখানি প্রভাব ফেলতে পারেনি। একুশের সাথে ভাষার সম্পর্ক থাকার কারণেই সেটি সম্ভব হয়েছে।
