আলো ডেস্ক: পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও উসকানির অভিযোগে পল্টন থানায় করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৪ জনের জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত। আজ সোমবার তাদের বিরুদ্ধে করা মামলার শুনানি হবে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।
এর আগে গতকাল রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তাদের জাবিন আবেদন করা হয়। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ছাড়াও আজ সোমবার যাদের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি হবে-বিএনপি নেতা আবদুস সালাম ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এর আগে শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ।
এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উত্তরার বাসা থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং শাহজাহানপুরের বাসা থেকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আটক করে পুলিশ। পরদিন শুক্রবার দুপুরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার দেখায় ডিবি। ওইদিন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার (৭ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনের ঘটনায় তাদের নির্দেশদাতা হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
গত ৭ ডিসেম্বর বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। আহত হন অনেকে। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে চাল-ডাল, পানি, নগদ টাকা ও বিস্ফোরকদ্রব্য পাওয়া যায় বলে জানায় পুলিশ। সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত দেড় থেকে দুই হাজার বিএনপির নেতাকর্মীকে আসামি করে পল্টন মডেল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন।
